স্টাফ রিপোর্টার: চার বছরের মধ্যে কলকাতার সমস্ত পরিবারকে ২৪ ঘণ্টাই বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ করবে পুরসভা। তবে এই পরিষেবা শুরুর আগে বহুতল থেকে বস্তি অঞ্চল সর্বত্রই পানীয় জলের অপচয় বন্ধ করা হবে। পরিবার পিছু নির্দিষ্ট পরিমাণ জল ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনতে বাড়ি বাড়ি মিটার লাগানো হবে। কিন্তু কোনও গৃহস্থকেই জলকর দিতে হবে না। এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) সঙ্গে কলকাতা পুরসভার যৌথ কর্মসূচির ২০ বছর পূর্তিতে একথা জানিয়েছেন পুরমন্ত্রী তথা মেয়র ফিরহাদ হাকিম। উপস্থিত ছিলেন এডিবির দায়িত্বপ্রাপ্ত যাদব মণ্ডল, পুরকমিশনার খলিল আহমেদ।
[আরও পড়ুন: ‘গো ব্যাক’ স্লোগানের প্রতিবাদ, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউর বিক্ষোভ থেকে ধৃত ৩০ বিজেপি কর্মী]
পাশাপাশি মেয়র এও জানিয়েছেন, এডিবি পাশে থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে মহানগরের ১৪৪টি ওয়ার্ডের সমস্ত নিকাশিকেই ভূগর্ভস্থ করে ফেলবে পুরসভা। কলকাতার অধিকাংশ গৃহস্থের বাড়িতে যতটা পানীয় জল প্রয়োজন তার চেয়ে অনেক বেশি অপচয় হয়। রাস্তা বা বাড়িতে অকারণে অনেকেই ট্যাপ খুলে রাখেন। ডিপ-টিউবওয়েলের জল দিয়ে গাড়ি ধোয়ার কাজ সারেন। বিশেষ করে কলোনি বা বস্তিতে জল ব্যবহারে কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। পুরসভার সমীক্ষা বলছে, যে পরিবারে ৫০ লিটার জল প্রকৃতভাবে প্রয়োজন হয়, সেখানে সচেতনতার অভাবে অপচয় হচ্ছে প্রায় ২০০-৩০০ লিটার জল।
বস্তিতে কলের মুখ খোলা থাকায় টালা বা গার্ডেনরিচের পানীয় জল প্রচুর পরিমাণে নষ্ট হচ্ছে। বস্তুত এই কারণে যাঁরা ফেরুল লাগিয়ে পুরসভার পাইপ লাইন থেকে পানীয় জল নিচ্ছেন তাঁদের এবার মিটার লাগিয়ে দেবে পুরসভা। আপাতত প্রতিদিন ৩৫০ মিলিয়ন গ্যালন জল উৎপাদন করে বাড়ি বাড়ি পৌছে দিচ্ছে, আগামী চার বছরে ৫০০ মিলিয়ন গ্যালন বিশুদ্ধ পানীয় জল ঘরে ঘরে পৌছে দেবে পুরসভা।
[আরও পড়ুন:খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলায় সাজা ঘোষণা, কারাদণ্ড-জরিমানা ১৯জনের]
মেয়রের কথায়, “পরিবারের প্রয়োজন ভিত্তিক পানীয় জল ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণ আনার পাশাপাশি অপচয় বন্ধের লক্ষ্যে এই মিটার লাগানো হবে। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষিত নীতি মেনেই কোথাও জলকর নেবে না পুরসভা।” সভায় উপস্থিত এডিবির প্রেসিডেন্ট তাকিহিকো নাকাও-এর বক্তব্য উদ্ধৃত করে মেয়র বলেন, “প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও অনলাইন কার্যক্রম এখন প্রায় ১০০ শতাংশ নিয়ে যাওয়া হয়েছে। চালু হয়েছে ফাইল ট্র্যাকিং পদ্ধতি। বস্তুত এই কারণে আরও বেশি করে অর্থ সাহায্য দিয়ে নানা নাগরিক প্রকল্প ও পরিষেবা চালু করে এডিবি কলকাতার উন্নয়নের অংশীদার হবে বলে আমার স্থির বিশ্বাস।” দূষণ রোধে নগর-বনাঞ্চল সৃষ্টি, ১৩৬টি পুর ক্লিনিক থেকে স্বাস্থ্য পরিষেবা ও পরিবেশবান্ধব নানা প্রকল্প এবং পরিষেবার উল্লেখ করেন মেয়র।
সর্বশেষ খবর
-
ভিনির ‘ম্যাজিক মোমেন্টে’ও অধরা জয়, ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু ব্রাজিলের
-
শান্তিনিকেতনে অরবিন্দ নিলয়ে বাণিজ্যিক নির্মাণ? বিতর্কের মাঝেই বার্তা ট্রাস্টের
-
কালীঘাটের বৈঠকে কুণাল-অভিষেক তীব্র বাদানুবাদ, পরিস্থিতি সামাল দিলেন মমতা!
-
খুলছে হরমুজ, রবিতেই ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি আমেরিকার, বড় ঘোষণা ট্রাম্পের
-
ড্রাগনের ‘উরুভঙ্গে’ চিন সাগরে ওরা কারা? গুপ্তচর কচ্ছপ ও মাছেদের হানাদারিতে শঙ্কিত বেজিং