অভিরূপ দাস: প্রযুক্তির যুগে শহরে বাড়ছে ইলেকট্রনিক আবর্জনার চাপ। প্রায় প্রতি ঘরে বাড়ছে খারাপ হয়ে যাওয়া টিভি, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল, স্মার্ট ওয়াচ, ওয়াশিং মেশিনের সংখ্যা। অনেকেই ই-বর্জ্য নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন। কেউ কেউ আবার সাধারণ জঞ্জালের সঙ্গেই বাইরে ফেলে দেন খারাপ হওয়া ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ। যা থেকে দূষণও ছড়ায়। সেই সমস্যা দূর করতে এগিয়ে এসেছে কলকাতা পুরসভা। নষ্ট হয়ে যাওয়া ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম শহরবাসীর থেকে কিনবে পুরসভা। দামও মিলবে ঠিকঠাক। পাড়ায় পাড়ায় শিবির করে সেই কাজ করবে পুরসভা।
বেশ কয়েক মাস ধরে পুরসভার (Kolkata Municipal Corporation) শীর্ষ মহলে ই-বর্জ্য কেনার ব্যাপারে আলোচনা চলছিল বলে জানা গিয়েছে। এবার ক্রয় করার বিষয়ে সিলমোহর পড়ছে। রাজ্য তথ্যপ্রযুক্তি দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে এই কাজ করা হবে। পুরসভা নাগরিকদের থেকে খারাপ যন্ত্রাংশ কিনবে। পরে তা নিয়ে যাবে তথ্যপ্রযুক্তি দপ্তর।
[আরও পড়ুন: যে কোনও জায়গা থেকে কাটা যাবে লোকাল ট্রেনের টিকিট! বড় বদল আনল রেল]
প্রথমে কয়েকটি ওয়ার্ডে এই উদ্যোগ পরীক্ষামূলক ভাবে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নাগরিক সচেতনার জন্য প্রচারও চালানো হবে। মেয়র পারিষদ দেবব্রত মজুমদার বলেন, “ই- বর্জ্য সম্পর্কে মানুষের সচেতনতার অভাব রয়েছে। প্রথমে ১৫ দিন অন্তর সচেতনতা শিবির করা হবে।” পুরসভা সূত্রে আরও খবর, শহরবাসীর থেকে কেনা খারাপ ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিগুলোর (Electronic Equipment) দাম মেটানো হবে ইউপিআই মাধ্যমে বা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। কোনও নগদের ব্যবহার হবে না।
বিদেশে সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে আগে ঠিক করা জায়গা থেকে খারাপ হয়ে যাওয়া সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়া হয়। সেই ধাঁচেই প্রকল্প শুরু করা হচ্ছে। পুরসভা নাগরিকদের থেকে নির্দিষ্ট দামে খারাপ যন্ত্রাংশ কেনার পর তথ্যপ্রযুক্তি দপ্তর নিয়ে যাবে। দপ্তর তা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারীকে বিক্রি করবে। উল্লেখ্য, ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি সাধারণত নতুন উৎপাদনের ক্ষেত্রে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ই-বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করে থাকে।
[আরও পড়ুন: কাল কালবৈশাখী, সপ্তাহের শুরু থেকেই রাজ্যজুড়ে ঝড়জল, কমবে গরম?]
সর্বশেষ খবর
-
‘এদেশের উদারতা ও সহনশীলতাকে দুর্বলতা ভাববেন না’, সিঁদুর-প্রসঙ্গ টেনে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ডোভালের
-
এশিয়ার প্রথম মরু-থিমে রাত সাফারি ভারতে! চিরাচরিত পর্যটনে চিড়িয়াখানায় নয়া চমক
-
ভরাডুবির পরও তৃণমূলের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে ৩৭০ কোটি! তুঙ্গে বিতর্ক
-
খিদে নেই, তবু প্রিয় খাবারের গন্ধে জিভে জল! শরীরে তখন কী ঘটে?
-
‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং ভুলব কী করে?’ ‘বিভাজন বিভীষিকা’ মনে করালেন মুখ্যমন্ত্রী