Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৪ জুন ২০২৬
শব্দবাজি

শহরে অ‌্যাম্বুল‌্যান্সে করে নিষিদ্ধ শব্দবাজি পাচার, গ্রেপ্তার ১

শব্দদানবের তাণ্ডব রুখতে কঠোর পদক্ষেপ কলকাতা পুলিশের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০১৯, ০৯:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০১৯, ০৯:২৭

options
link
শহরে অ‌্যাম্বুল‌্যান্সে করে নিষিদ্ধ শব্দবাজি পাচার, গ্রেপ্তার ১ zoom

অর্ণব আইচ: রোগীর বদলে অ‌্যাম্বুল‌্যান্সে সোনা পাচারের ঘটনা আগে বহুবার শোনা গিয়েছে। এবার সে তালিকায় যুক্ত হল শব্দবাজিও। কলকাতা পুলিশ শব্দবাজি নিয়ে কড়াকড়ি শুরু করায় এই পন্থাই বেছেছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। শনিবার ইএম বাইপাস লাগোয়া একটি অভিজাত বহুতলের সামনে একটি অ‌্যাম্বুল‌্যান্স আটক করে ৪০ কেজি নিষিদ্ধ শব্দবাজি আটক করল পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে গণেশ পণ্ডিত নামে বছর বত্রিশের এক ব্যক্তিকে।
জানা গিয়েছে, অ‌্যাম্বুল‌্যান্সের ভিতর এক যুবককে রোগী সাজিয়ে চাদর মুড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই সময় রাস্তায় পুলিশের নাকা তল্লাশি চলছিল। অ‌্যাম্বুল‌্যান্সটি দেখে সন্দেহ হয় কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের। তাই অ্যাম্বুল্যান্সটিকে আটক করে চালককে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন তাঁরা। রোগী ও চালকের কথায় অসঙ্গতি পেতেই তল্লাশি চালায় পুলিশ। তাতেই চোখ প্রায় কপালে ওঠে পুলিশকর্মীদের। ওই অ্যাম্বুল্যান্সের নিষিদ্ধ শব্দবাজি ধরা পড়ে যায়। ইএম বাইপাস লাগোয়া একটি অভিজাত বহুতলের সামনে থেকে ওই অ‌্যাম্বুল‌্যান্সটি আটক করে ৪০ কেজি নিষিদ্ধ শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত হয়। গণেশ পণ্ডিত নামে বছর বত্রিশের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 

[আরও পড়ুন: কমছে দূরত্ব! জল্পনা উসকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে বৈশাখী]

প্রতি বছর পুলিশের আবাসনগুলি থেকেই নিষিদ্ধ শব্দবাজি ফাটানোর গুচ্ছ গুচ্ছ অভিযোগ আসে। তাই ওই সমস্ত পুলিশ আবাসনেও শব্দদানবের তাণ্ডব রুখতে এবার আরও কড়া মনোভাব নিয়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা। সেই কারণে পুলিশ আবাসনগুলির কাছে নিষিদ্ধ শব্দবাজি ব্যবহার না করার জন্য বিশেষ বার্তা দিয়েছেন তিনি।  তাই তাঁর নির্দেশেই পুলিশ কর্মীরা সাধারণ মানুষের পোশাক পরেই প্রায় ছদ্মবেশে অলিতে-গলিতে নিষিদ্ধ শব্দবাজির বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে নামবেন। এর জন্য পুলিশের গাড়ি তাঁরা ব্যবহার করবেন না। শহরের সরু গলিগুলিতে এই বিশেষ অভিযানের জন্য ১১৪টি অটো এবং ১৮টি টাটা সুমো ভাড়া নেওয়া হয়েছে। ওই সমস্ত অটো ও টাটা সুমোয় চেপেই শব্দদানবের তাণ্ডব রুখবে পুলিশ। এক-একটি অটোতে থাকবেন দু’জন করে কনস্টেবল। প্রতিটি টাটা সুমোয় থাকবে চারজন করে পুলিশ। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.