সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নির্বাচনী প্রচারে বেফাঁস মন্তব্য করে আগেই আইনি জটে জড়িয়েছেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। এবার আরও বিপাকে পড়লেন মহাগুরু। চলতি সপ্তাহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে তলব করতে পারে কলকাতা পুলিশ, প্রকাশ্যে এসেছে এমনই তথ্য।
ব্রিগেডের ময়দানে মোদির হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী। পদ্মশিবিরে যোগ দিয়েই তৃণমূলের নেতা-নেত্রীদের আক্রমণ করেন তিনি। বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেছেন নিজের অস্তিত্ব। ভোটপ্রচারে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, “আমি জলঢোঁড়াও নই, বেলেবোড়াও নই। আমি জাত গোখরো, এক ছোবলে ছবি।” পরে আবার শীতলকুচির (Sitalkuchi) ঘটনায় নাম না করে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই (Mamata Banerjee) নিশানা করে বলেছিলেন, “ওখানে (শীতলকুচিতে) যা ঘটেছে তা খুবই দুঃখজনক। মৃতদের প্রণাম জানাই। কিন্তু কেন এই সব উসকানি দিয়ে চার জন মায়ের কোল খালি করে দেওয়া হল?” যদিও ভোটগণনার পর আর দেখা পাওয়া যায়নি মিঠুনের।
[আরও পড়ুন: পুলিশ হাসপাতাল বদলে গেল কোভিড চিকিৎসাকেন্দ্রে, ভারচুয়ালি উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী]
এই উসকানিমূলক মন্তব্যের জেরেই ৬ মে মানিকতলা থানায় মামলা দায়ের করা হয় মিঠুন চক্রবর্তী ও দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে।বাংলা সিটিজেন্স ফোরামের পক্ষ থেকে মামলা করেন মৃত্যুঞ্জয় পাল। তাতে বলা হয়েছিল, ভোট প্রচারে মিঠুন চক্রবর্তীর এই বক্তব্যগুলি সাধারণ সিনেমার সংলাপ নয়। এই ধরনের বক্তব্য সন্ত্রাস এবং উত্তেজনায় প্ররোচনা দেয়। ফলে কোথাও সন্ত্রাস হলে তাঁর দায় মিঠুনেরও। পরবর্তীতে সেই মামলার শুনানিতে পুলিশের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিল শিয়ালদহ-র এসিজেএম আদালত। সেই ঘটনায় এবার অভিনেতাকে তলব করতে পারে পুলিশ।
[আরও পড়ুন: নারদ মামলা: ফিরহাদ-সহ চার নেতা আরও দু’দিন গৃহবন্দি, পরবর্তী শুনানি বুধবার]
সর্বশেষ খবর
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!
-
‘পদে পদে বাধা দিত আগের সরকার’, চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজ দেখে তৃণমূলকে তোপ রেলমন্ত্রী বৈষ্ণবের