Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Iran War Effects

ইরান যুদ্ধের জেরে দুষ্প্রাপ্য ক্লোরিন, ভরা গরমে বন্ধ হতে বসেছে কলকাতার সুইমিং পুলগুলি!

এই প্রথমবার সুইমিং পুল বন্ধ হতে বসেছে তা নয়। কোভিড কালে লকডাউনের সময়ও সুইমিং পুলগুলি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে সেই সমস্যা কাটিয়ে আবার খুলে দেওয়া হয় পুলগুলি। এ বারও দ্রুত সমস্যা মিটে যাবে বলে আশাবাদী প্রত্যেকেই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২৬, ১৯:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২৬, ১৯:০১

options
link
ইরান যুদ্ধের জেরে দুষ্প্রাপ্য ক্লোরিন, ভরা গরমে বন্ধ হতে বসেছে কলকাতার সুইমিং পুলগুলি! zoom
প্রতীকী ছবি

গরমের সবে শুরু। এই সময়ে বন্ধ হতে বসেছে কলকাতার একাধিক সুইমিং পুল। তীব্র গরমে শুকিয়ে যাচ্ছে পুলগুলি? না! জল শুকিয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বা হয় না। তাহলে কেন বন্ধ হচ্ছে সুইমিং পুলগুলো? মিলছে না জল পরিশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক। ইরান যুদ্ধের জেরে রাসায়নিকের বিশ্বব্যাপী সংকট তৈরি হয়েছে। তাতেই জল পরিশোধন করা যাচ্ছে না। এতেই বন্ধ হতে বসেছে শহরে একাধিক সুইমিং পুল।

দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন ক্লাব ও পাড়ার বিভিন্ন সুইমিং পুলে জল পরিশোধনের জন্য ক্লোরিন ব্যবহার করা হয়। সেই ক্লোরিনের সরবরাহ কমে যাচ্ছে। যদি এই পরিস্থিতি চলতে থাকে, তাহলে সুইমিং পুলগুলি অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ করতে হবে। কারণ, অপরিশোধিত জলে সাঁতার কাটা কোনও ভাবেই নিরাপদ নয়।

Advertisement

শহরের বেশিরভাগ সুইমিং পুলে ক্লোরিন ব্যবহার করা হয়। এই ক্লোরিন জলের সঙ্গে বিক্রিয়া করে হাইপোক্লোরাস অ্যাসিড তৈরি করে। যা মূল জীবাণুনাশক হিসাবে কাজ করে। ইরান যুদ্ধেরল জেরে ক্রমবর্ধমান পরিবহন খরচ ও রাসায়নিকের অভাবের কারণে সুইমিং পুলের জল  পরিশোধন করার জন্য ক্লোরিন মিলছে না বাজারে।

উত্তর কলকাতার একটি ক্লাব বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সদস্যদের জানিয়েছে, প্র্যাঙ্কিয়াম হাইড্রোক্সাইড না থাকার কারণে পুল ব্যবহার বন্ধ করা হয়েছে। এক সদস্য বলেন,”আমরা বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলাম। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি।” নিয়মিত সাঁতারু বালিগঞ্জের এক বাসিন্দা বলেন, “আমি সুইমিং পুল ব্যবহার করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে বলা হয় জোকিয়াম সালফেট নামের একটি উপাদানের অভাব রয়েছে। তাই তা বন্ধ। আমি তো জানিই না সেটা কী।”

এক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলেন, “সুইমিং পুলে অবশ্যই সঠিক রাসায়নিকের ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। না হলে তা ত্বক ও শরীরের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে।” তবে অনেকেই আশাবাদী যে দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে। কলকাতার একটি বিখ্যাত সুইমিং ক্লাবের প্রবীণ সদস্য বলেন, “এপ্রিলের প্রথম দিক থেকে সুইমিং পুলে সময় কাটানোর প্রবণতা বাড়ে। আশা করছি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।”

এই প্রথমবার সুইমিং পুল বন্ধ হতে বসেছে তা নয়। কোভিড কালে লকডাউনের সময় সুইমিং পুলগুলি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে সেই সমস্যা কাটিয়ে আবার খুলে দেওয়া হয় পুলগুলি। এ বারও দ্রুত সমস্যা মিটে যাবে বলে আশাবাদী প্রত্যেকেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.