Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যাগের ভিতরেই ডেবিট কার্ড, অথচ অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও টাকা

শহরে সক্রিয় কার্ড ক্লোনিং চক্র। কীভাবে?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০১৮, ১০:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০১৮, ১০:৩৬

options
link
ব্যাগের ভিতরেই ডেবিট কার্ড, অথচ অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও টাকা zoom
Advertisement

অর্ণব আইচ: তিনি কাউকে ফোনে এটিএম কার্ডের নম্বর জানাননি। কার্ড ছিল তাঁর কাছেই। তবু শহরের এক মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও হল টাকা। কার্ড ক্লোনিং করে যে প্রতারণার জাল বিছিয়েছে ব্যাঙ্ক জালিয়াতরা, সেই তথ্য আগেই ছিল পুলিশের কাছে। এবার হাতেনাতে সেই প্রমাণই মিলল শহরে।

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, দিল্লিতে বসে জাল ছড়িয়ে কলকাতার বাসিন্দাদের প্রতারণা করছে জালিয়াতরা। সম্প্রতি গড়ফা থানায় দায়ের হওয়া এক অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করার পর পুলিশের প্রাথমিক অভিযোগের আঙুল উঠেছে কার্ড ক্লোনিংয়ের সঙ্গে যুক্ত জালিয়াতদের দিকে। লালবাজারের গোয়েন্দাদের মতেও, দেশের যে কোনও জায়গা থেকেই ব্যাঙ্ক জালিয়াতরা এটিএম কার্ড ক্লোন করতে পারে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[অমিতের রাজ্য সফরের আগে তৃণমূলকে আক্রমণের ঝাঁজ বাড়াচ্ছেন দিলীপ-রাহুলরা]

পুলিশ জানিয়েছে, দক্ষিণ কলকাতার হালতু এলাকার নিবেদিতা রোডের বাসিন্দা ও বেসরকারি সংস্থার এক মহিলা এই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশের কাছে করা তাঁর অভিযোগ অনুযায়ী, রাসবিহারী অ্যাভিনিউয়ের উপর একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে তাঁর অ্যাকাউন্ট রয়েছে। কিছুদিন আগে ব্যাঙ্কের তরফ থেকে তাঁর কাছে পরপর কয়েকটি মেসেজ আসে। মেসেজের মাধ্যমে তাঁকে জানানো হয় যে, তাঁর ব্যাঙ্ক থেকে দুই দফায় তুলে নেওয়া হয়েছে ৪ হাজার ৫০০ টাকা। প্রথমবার চার হাজার ও পরের বার ৫০০ টাকা। অতি সামান্য টাকা পড়ে রয়েছে তাঁর ব্যাঙ্কে। তিনি তাঁর সংস্থার মাধ্যমে ওই ব্যাঙ্কের কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ব্যাঙ্ক প্রথমে মহিলাকেই দোষারোপ করতে থাকে। পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করার ক্ষেত্রেও সমস্যার সৃষ্টি হয়।

এই ঘটনায় প্রথমে হতবাক হয়ে যায় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। মহিলা পুলিশ ও ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন, তাঁর ব্যাগেই সারাক্ষণ ছিল কার্ড। সেটি তিনি হাতছাড়া করেননি। এ ছাড়াও তাঁর কাছে এটিএম কার্ডের নম্বর চেয়ে কোনও ফোন আসেনি। মহিলার কাছ থেকে পুলিশ জেনেছে যে, তিনি কার্ডের মাধ্যমে কয়েকটি জায়গায় লেনদেন করেছেন। এর পরই পুলিশের ধারণা, তাঁর কার্ড ক্লোন করা হয়েছে। ‘সোয়াইপ মেশিন’-এ লুকানো কোনও ‘ডিভাইস’ ব্যবহার করে তাঁর ডেবিট কার্ডের পিন নম্বর জেনে নেওয়া হয়েছে, এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। আবার কোনওভাবে তাঁর কাছে থেকে কয়েক মিনিটের জন্য কার্ডটি নিয়ে সেটি ‘ক্লোন’ করাও অসম্ভব কিছু নয়। কলকাতার এই জালিয়াত চক্রের সঙ্গে যে সরাসরি দিল্লির চক্রের যোগ রয়েছে, সেই বিষয়ে পুলিশ নিশ্চিত। কারণ ওই ক্লোন কার্ড ব্যবহার করে দিল্লির একটি এটিএম থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে টাকা। এই বিষয়টি পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। পুলিশের মতে, এই জালিয়াতচক্র সক্রিয় হলে আরও শহরবাসীকে ‘টার্গেট’ করতে পারে তারা। তাই তাদের সন্ধান চালানো শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে এই চক্র কোনওভাবে ব্যাঙ্কের তথ্য হ্যাক হয়েছে কি না, পুলিশ তা-ও জানার চেষ্টা করছে।

[বেহাল আবহাওয়া, দিঘা সফর বাতিল করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়]

লালবাজারের গোয়েন্দাদের পরামর্শ, অনেক সময়ই এটিএম বা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারী তাঁর কার্ড বিক্রেতার হাতে তুলে দেন। বিশেষ করে হোটেল বা পানশালায় এভাবে লেনদেন হয়। গোয়েন্দাদের মতে, অপরিচিত বা স্বল্পপরিচিত কারও হাতে কার্ড গিয়ে পড়লে মিনিটখানেকই যথেষ্ট। তার মধ্যেই কার্ড ক্লোন হয়ে যেতে পারে। বিদেশ থেকে ফাঁকা কার্ড ‘ক্লোনিং’-এর জন্য এই দেশে পাচার হয়। সেগুলি জোগাড় করে ব্যাঙ্ক জালিয়াতি চক্রের মাথারা। তাই কোনওমতেই যেন কেউ তাঁর ডেবিট কার্ড অন্য কারও হাতে না দেন। এ ছাড়াও এই ধরনের জালিয়াতি এড়াতে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন না করাই ভাল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

[ঘুষকাণ্ডে ৩ বছরের জেল, ১ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেলেন সুভাষ ভৌমিক]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.