Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
লকডাউন

৪০ দিন ধরে নিঃশব্দে দুস্থদের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন মুসলিম তরুণ, গর্বিত তপসিয়াবাসী

প্রচারের আলো খোঁজেননি তরুণ ও তাঁর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২০, ১৩:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২০, ১৩:৩১

options
link
৪০ দিন ধরে নিঃশব্দে দুস্থদের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন মুসলিম তরুণ, গর্বিত তপসিয়াবাসী zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের দুর্দিনে যেন কেউ অভুক্ত না থাকে। এই শপথ নিয়েই লকডাউনের আবহে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। যাদের অনেকেই প্রচারের আলোয় এসেছে। আবার অনেকে নিঃশব্দে সমাজসেবা করে চলেছে। তেমনই একটি সংগঠন ‘উমিদ’। ৪০ দিন ধরে আমজনতার খাওয়ার ব্যবস্থা করে চলেছে পার্ক সার্কাসের তপসিয়া এলাকার এই সংগঠনটি।

করোনা মোকাবিলায় দেশজুড়ে সেই মার্চ থেকে চলছে লকডাউন। কাজ হারিয়ে দু’বেলা দু’মুঠো খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে দিন আনি দিন খাই মানুষগুলিকে। তাঁদের দিকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন ২০ বছরের ওয়ালি রহমানি। পাঁচ হাজার মানুষের অন্ন সংস্থানের দায়িত্ব নেন ওই তরুণ ও তাঁর দল। ৪০ দিনে প্রত্যেকের বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছেন রেশন। এই মহৎ কাজ সমাজের সামনে তুলে ধরতে অবশ্য কখনও প্রচারের আলো খোঁজেননি। চুপচাপ মানুষের সেবা করে গিয়েছেন। জানেন, এমন সংকটের দিনে ওই অভুক্ত মানুষগুলির মুখে খাবার তুলে দিলেই আশীর্বাদ পাবেন। এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘পরিযায়ী শ্রমিকদের দায় কেন্দ্রের নয়’, ঔরঙ্গাবাদের দুর্ঘটনা নিয়ে মন্তব্য দিলীপ ঘোষের]

NGO

চাল-ডাল-চিনি-আটার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য এখনও পর্যন্ত পাঁচ হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছে রহমানি ও তাঁর দল। পাঁচ হাজার কেজি রেশন ইতিমধ্যেই বিলি করেছেন তাঁরা। যে কোনও দরকারে সর্বদা এলাকাবাসীর পাশে রয়েছে তাঁর সংগঠন উমিদ। শুধুই সোশ্যাল মিডিয়ায় দুস্থদের জন্য শোকপ্রকাশ না করে কাজ দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করেছেন রহমানি। তাঁর জন্য গর্বিত এলাকাবাসী।

যতদিন যাচ্ছে, রাজ্যে লাফিয়ে বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। লকডাউনের মধ্যেও বাগে আনা যাচ্ছে না মারণ ভাইরাসের দাপটকে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়িয়েছে। মৃত ৭৯। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি নির্দেশিকা মেনে লকডাউনকে সফল করলেই করোনাকে রোখা যাবে। সোশ্যাল ডিসটেন্সিং মেনে একসঙ্গে লড়তে হবে। আর সেই সঙ্গে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে অসহায়দের দিকে। এমনটাই মনে করছেন রহমানিদের মতো সমাজকর্মীরা।

[আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের পাশে ইমাম, মসজিদে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরির প্রস্তাব]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.