Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
হজ

হজে যাবেন প্রধান শিক্ষক, তপসিয়ার স্কুলে ছুটি দিয়ে দেদার ভুরিভোজ

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস রাজ্য মাদ্রাসা পর্ষদের সভাপতির৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০১৯, ১৫:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০১৯, ১৫:০৪

options
link
হজে যাবেন প্রধান শিক্ষক, তপসিয়ার স্কুলে ছুটি দিয়ে দেদার ভুরিভোজ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পড়ুয়াদের ছুটি দিয়ে স্কুলের মধ্যে ভুরিভোজের আয়োজন করে বিতর্কে জড়ালেন কলকাতারই এক স্কুলের প্রধান শিক্ষক৷ জানা গিয়েছে, হজে যাবেন তপসিয়ার মনু মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউশন-এর প্রধান শিক্ষক আবদুল ওয়াহাব। সেই কারণেই শনিবার এই আয়োজন করা হয়। প্রধান শিক্ষকের আনন্দের সঙ্গী হতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন স্কুলের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষকরাও।

[আরও পড়ুন: মাঝেরহাটে নির্মীয়মাণ সেতুর নকশা খতিয়ে দেখতে কলকাতায় তাইওয়ানের বিশেষজ্ঞরা]

‘মনু মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউশন’-এর এই ঘটনায় বিস্মিত রাজ্য মাদ্রাসা পর্ষদের সভাপতি আবু তাহের কামরুদ্দিন। তিনি স্পষ্টই বলেন, ‘‘স্কুল বন্ধ করে এ রকম অনুষ্ঠানের আয়োজন বেআইনি। এই ঘটনা সত্যি হয়ে থাকলে আমরা স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেব।’’ তপসিয়ায় কোহিনুর মার্কেটের কাছে অবস্থিত বহু পুরনো ওই স্কুলটিতে সকাল ও দুপুরে দুটি বিভাগে ক্লাস চলে। দুপুরে বাংলা ও উর্দু মাধ্যমের ক্লাস হয়। বাংলা মাধ্যম স্কুলটি রাজ্য মাদ্রাসা পর্ষদ পরিচালিত। উর্দু মাধ্যম স্কুলটি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের অধীনে। দু’টি মাধ্যম মিলিয়ে প্রায় ৮০০ পড়ুয়া রয়েছে স্কুলে। 

Advertisement

জানা গিয়েছে, বাংলা মাধ্যম স্কুলটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবদুল ওয়াহাব কয়েকদিন পরই হজে যাবেন। স্কুল সূত্রে খবর, নিজের আসন্ন হজযাত্রা উপলক্ষেই শনিবার ওই স্কুলে খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করেছিলেন প্রধান শিক্ষক। সেই কারণে দুপুরের বিভাগের পড়ুয়াদেরও ছুটি দিয়ে দেন তিনি।

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই জল্পনা শুরু হয় বিভিন্ন মহলে। প্রশ্ন ওঠে, কারও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে এভাবে স্কুল বন্ধ রেখে অনুষ্ঠান করা কি নিয়মবিরুদ্ধ নয়? এ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষকের মন্তব্য, ‘‘শুধু আমি হজে যাব বলেই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, এমনটা নয়। এদিন ইদ-মিলনের অনুষ্ঠান ছাড়াও স্কুলের উন্নয়নে যাঁরা দান করেন, তাঁদের নিয়ে সমাবেশ করা হয়েছিল।’’ প্রধান শিক্ষকের আরও যুক্তি, ‘‘দু’টি মাধ্যমের এত সংখ্যক পড়ুয়াকে ছুটি না দিয়ে তার মধ্যে অনুষ্ঠান করতে গেলে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হতে পারত, সেই আশঙ্কা থেকেই এই সিদ্ধান্ত।’’

[আরও পড়ুন: মেট্রোর কাজের জন্য বন্ধ ট্রেন, দমদম থেকে বারাসত পর্যন্ত চালু বিশেষ বাস পরিষেবা]

এ প্রসঙ্গে স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘‘স্কুলের ক্লাস বন্ধ রেখে এ রকম অনুষ্ঠান করা একদম ঠিক হয়নি।’’ শুধু তিনি নন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্যরাও ঘটনাটির তীব্র বিরোধিতা করেন। রাজ্য মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘এ রকম ঘটনা একেবারেই কাম্য নয়। বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।’’  এদিনের ঘটনায় সমস্যায় পড়তে হয়েছে পড়ুয়াদেরও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.