২ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২০ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

২ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২০ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২৪ ঘণ্টা কাটতেই ভোল বদলালেন হাই কোর্টের সরকারি আইনজীবীরা৷ সোমবার বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের এজলাস বয়কটের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, মঙ্গলবার দুপুরেই সেই সিদ্ধান্তই প্রত্যাহার করলেন তাঁরা৷ জানালেন, বিষয়টির স্থায়ী সমাধান চান তাঁরা৷ জনমানবে ভুল বার্তা যেতে পারে, সেকারণেই সোমবারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করছেন৷ বুধবার থেকে বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের সমস্ত শুনানিতেই হাজির থাকবেন তাঁরা৷

[ আরও পড়ুন: ৩ জনের মধ্যে কে বাবা? দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর জানা গেল সন্তানের পিতৃপরিচয়]

জানা গিয়েছে, বিধাননগর, বনগাঁ, নৈহাটি, গঙ্গারামপুর-সহ একাধিক পুরসভার অনাস্থা প্রস্তাব সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলছে বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের এজলাসে৷ যে শুনানির সময় একাধিকবার রাজ্যের আইনজীবীদের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়েছেন বিচারপতি৷ কখনও আইনজীবীদের তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন তিনি৷ কখনও শাসকদল ও পুলিশ প্রশাসনের সমালোচনা করেছেন৷ বিষয়টি চরম রূপ নেয়, বিধাননগর মামলার শুনানিতে৷ ওইদিন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় তাঁর৷ যদিও পরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিচারপতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিষয়টি সামাল দেন৷ কিন্তু গত সপ্তাহে বনগাঁ মামলার শুনানির সময়ও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে৷ তখন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্তের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ান বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়৷ ক্ষোভে উগড়ে দেন পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে৷

এরপরই বিষয়টা অন্যদিকে মোড় নেয়৷ সোমবার রাজ্যের আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মন্তব্য করছেন বিচারপতি৷ অনভিপ্রেত ভাবে সমস্ত ক্ষেত্রে বনগাঁ মামলাকে টেনে আনছেন তিনি৷ তাঁদের মতে, ‘‘এক, আদালত হচ্ছে একটা মন্দির৷ সেখানে বিভিন্ন সময়ে অনভিপ্রেত মন্তব্য করে আদালতের মর্যাদা নষ্ট করছেন বিচারপতি৷ দুই, প্রতিটি মামলার ক্ষেত্রে বনগাঁ মামলাকে টেনে আনছেন বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়৷ তিন, এজলাসে রাজনৈতিক নেতাদের মতো মন্তব্য করছেন বিচারপতি৷’’ সমস্তটা বিষয়টা জানিয়ে সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের নামে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের কাছে নালিশ করবেন বলেও জানান রাজ্যের আইনজীবীরা৷ যার পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষোভও প্রকাশ করেন বিচারপতি৷ জানান, ‘‘আমাকে এ কাজের দায়িত্ব সরকারি আইনজীবীরা দেননি৷ এই কাজের দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি৷ এই সিদ্ধান্ত প্রধান বিচারপতিকে অপমান করা৷ আমি সরকারি আইনজীবীদের কথামতো কাজ করব না৷ ওনারা যা বলবেন তাই করব না৷ আমি যদি সরকারের সমস্ত সিদ্ধান্তকে সমর্থন করি, তাহলে তা অন্যায় হবে৷ প্রশাসন ভুল করলে আমি শুধরে দেব৷ আমি খারাপ বিচারপতি হতে পারি৷ তবে আমি চেয়ারের দায়িত্ব পালন করেছি৷’’

[ আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীকে খুনের চেষ্টা করছেন শিক্ষকরা! উড়ো চিঠিতে চাঞ্চল্য খিদিরপুরের স্কুলে ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং