বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: চলতি বিধানসভার অধিবেশন (Assembly Session) ‘অসাংবিধানিক’। বিধানসভায় ২ দিনের বিশেষ অধিবেশনের শুরুতেই এই অভিযোগে সরব বিরোধী বাম, কংগ্রেস।তাঁদের যুক্তি, নতুন বছরে অধিবেশন ডাকার অধিকার রাজ্যপালের। তার আগে অবশ্য অধিবেশন সমাপ্তি ঘোষণা করতে হয়। সরকারপক্ষ তা করেনি। সরকারের এই সিদ্ধান্ত রাজ্যপাল ও বিরোধীদের অধিকারকে খর্ব করার শামিল বলে অভিযোগ কংগ্রেস ও বাম পরিষদীয় দলের।
কেন্দ্রীয় কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবি ও বিরুদ্ধে প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে বুধবার থেকে শুরু হয়েছে দু’দিনের রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন। অধিবেশনের প্রথম দিন শোক প্রস্তাব পেশ করার পর মুলতুবি করে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার দুটি বিল ও কেন্দ্রীয় কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আনা প্রস্তাবের উপর আলোচনা হওয়ার কথা। কিন্তু এই অধিবেশন সংবিধানকে অসম্মান করছে বলে সরকারের বিরুদ্ধে সরব বাম ও কংগ্রেসের।
[আরও পড়ুন: শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারে নাবালিকা মেয়েকে নিয়ে ট্রেনের সামনে মরণঝাঁপ মায়ের, গ্রেপ্তার স্বামী]
বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নানের যুক্তি, সংবিধান অনুযায়ী নতুন বছরে কোন অধিবেশন ডাকতে হলে আগের অধিবেশনে সমাপ্তি ঘোষণা করতে হয়। এরপর রাজ্যপালের বক্তৃতা দিয়ে পরবর্তী অধিবেশনের সূচনা করতে হয়। এক্ষেত্রে তা না করে আগের অধিবেশন মুলতুবি ঘোষণা করা হয়েছিল। সরকারের এই সিদ্ধান্ত ‘অসাংবিধানিক’। বিষয়টি নিয়ে তারা লোকসভার অধ্যক্ষের দ্বারস্থ হবেন বলেও জানান তিনি। রাজ্যপালের ভাষণ হলে তা নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পায় বিরোধীরা। সরকারপক্ষের এই সিদ্ধান্তে রাজ্যপাল এবং বিরোধীদের হচ্ছে বলে মনে করেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী।
[আরও পড়ুন: করোনা কালেও ধারাবাহিকভাবে পরিষেবা প্রদান, মমতা সরকারের প্রশংসায় বিশ্বব্যাংক]
সর্বশেষ খবর
-
‘ববিদাকে ফোন করব’, ফিরহাদের পদত্যাগের পরই জল্পনা বাড়ালেন ‘আসল তৃণমূল’ ঋতব্রত
-
‘ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ কচি নয়’, স্বরূপের শ্লীলতাহানি মামলায় রূপার নিশানায় কারা? কী বলছেন স্বপন দাশগুপ্ত?
-
দিল্লি দরবারে বৈঠক শেষে ‘খুশি’ মনে রাজ্যে ফিরছেন মুখ্যমন্ত্রী, আজ রাতেই দপ্তর বণ্টন!
-
অভিষেকের কথাই শেষ কথা নয়! দলের খোলনলচে বদলে বড় সিদ্ধান্ত বিদ্রোহে ‘বিপন্ন’ মমতার
-
ভারতে ইবোলার হানা! জয়পুরে উগান্ডার পর্যটকের শরীরে সংক্রমণের লক্ষণ ঘিরে চর্চা