Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
বিধানসভা

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য বিকৃত করেছে বাম-কংগ্রেস, মন্ত্রীর অভিযোগে উত্তাল বিধানসভা

ওয়েলে নেমে স্পিকারের কাছে ছুটে গিয়ে একযোগে বিক্ষোভ দেখায় বাম-কংগ্রেস।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০১৯, ১৬:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০১৯, ১৬:৫৪

options
link
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য বিকৃত করেছে বাম-কংগ্রেস, মন্ত্রীর অভিযোগে উত্তাল বিধানসভা zoom
Advertisement

স্টাফ রিপোর্টার: মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে অপব্যাখ্যা করেছে বাম-কংগ্রেস। তৃণমূল এই অভিযোগ তোলার পরই বৃহস্পতিবার উত্তাল হয়ে উঠল বিধানসভা। ওয়েলে নেমে স্পিকারের কাছে ছুটে গিয়ে একযোগে বিক্ষোভ দেখায় বাম-কংগ্রেস। পরে ওয়াক আউটও করে তারা। বিরোধীদের এই ভূমিকার নিন্দা করে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে শাসক দল।

বিজেপির সাম্প্রদায়িক সুড়সুড়ির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সবাই শামিল হন। প্রতিবাদ করতে হবে সব দলকেই। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় এভাবেই বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রত্যেককে শামিল হওয়ার আবেদন জানালেন পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তবে এই প্রশ্নেই বিরোধী বাম ও কংগ্রেস ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখায়। প্রথম পর্বে প্রশ্ন-উত্তরের পর পরিষদীয় দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী তাপস রায় গতকাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের অপব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে বিকৃত করে কীভাবে কংগ্রেসের আবদুল মান্নান ও সিপিএমের সুজন চক্রবর্তী ভুল ব্যাখ্যা দিতে পারেন? দুই-একটি সংবাদমাধ্যমেও একইভাবে অপব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সেই মন্তব্য তুলেও ধরেন এদিন। যেখানে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “কংগ্রেস-সিপিএমের সঙ্গে জোট করবে কি না তাদের বিষয়। ২০১৬ সালে তো কংগ্রেস সিপিএম জোট হয়েছিল। কিন্তু বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমরা ২৩টি দল এক সঙ্গে লড়ছি। এ ব্যাপারে একসঙ্গে থাকা উচিত।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘কাটমানি’র পালটা ‘ব্ল্যাকমানি’, বিধানসভায় বিজেপিকে আক্রমণ মমতার]

তাপস রায়ের এদিনের বক্তব্যের পরই আচমকা সুজন চক্রবর্তী ও কয়েকজন বাম সদস্য রে-রে করে স্পিকারের দিকে ছুটে যান। সেক্রেটারিয়েট টেবিলের কিছু কাগজপত্রও ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেন। ‘মেজ’ ধরেও টানাটানি করেন। এই সময় মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসুর সঙ্গে সুজনবাবুদের কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অরূপ বিশ্বাস-সহ তৃণমূলের মন্ত্রীদেরও প্রতিবাদ করতে দেখা যায়। বিস্তর চিৎকার চেঁচামেচির পর বাম-কংগ্রেস সদস্যরা ওয়াকআউট করেন। পার্থবাবু স্পিকারের কাছে আবেদন রাখেন, “এমনভাবে হাতা গুটিয়ে স্পিকারের দিকে আসা দুর্ভাগ্যজনক। এই আচরণ বরদাস্ত করা উচিত না। স্পিকার কড়া ব্যবস্থা নিন। সংবিধানের গড়িমা কোনওভাবেই ক্ষুণ্ণ হতে দেওয়া যাবে না।” পরিষদীয় মন্ত্রীর প্রস্তাবের পরই স্পিকার বিমান বন্দে্যাপাধ্যায় বলেন, “এই প্রস্তাব বিবেচনা করব। আমি ওঁদের কথা শুনতাম। কিন্তু ওঁরা যেভাবে ধেয়ে এলেন, তা রীতিনীতি লঙ্ঘন করছে।”

[আরও পড়ুন: ‘বৃহত্তর স্বার্থে একসঙ্গে আসা দরকার’, বাম-কংগ্রেসকে জোটবার্তা মমতার!]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.