২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

রাহুল চক্রবর্তী: রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী যা বললেন তাতে অন্তত তেমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বিধানসভার অধিবেশনে দাঁড়িয়ে মমতা সুজন চক্রবর্তী এবং আবদুল মান্নানদের উদ্দেশে সরাসরি বললেন, বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের একসঙ্গে আসা দরকার। বিজেপিকে ঠেকাতে জোটবদ্ধ হন।

[আরও পড়ুন: কাটমানি ইস্যুতে এবার ‘মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি চলো’ কর্মসূচির পরিকল্পনা বিজেপির]

শুক্রবার রাজ্য বিধানসভায় বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। বুধবারই এই অধিবেশনে প্রথমবারের জন্য বিধানসভায় যান মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যপালের ভাষণের জবাবি ভাষণ দিতে গিয়ে বিজেপিকে কার্যত তুলোধোনা করেন মমতা। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্ভবত এই প্রথম সরাসরি বাম-কংগ্রেসকে পাশে থাকার বার্তা দিলেন। বিজেপি বিরোধিতায় তৃণমূলকে সাহায্য করার আহ্বান জানালেন। স্পষ্ট ভাষায় মমতা বললেন, “বিজেপিকে রুখতে আমাদের একজোট হতে হবে। কেন্দ্রে যেভাবে আমরা সমস্ত ইস্যুতে কংগ্রেসের পাশে থাকি। এরাজ্যেও তেমনটাই হওয়া উচিত।”
বিধানসভায় দাঁড়িয়ে এদিন মমতা বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানান। তিনি বলেন, “বিজেপি রাজ্যে কয়েকটা আসন পাওয়ার পরই ভাটপাড়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। ওরা ভেবেছে কয়েকটা আসন পাওয়া মানেই বাংলা দখল করে ফেলেছে। তা একেবারেই নয়।” এরপরই সুজন চক্রবর্তী এবং আব্দুল মান্নানকে উদ্দেশ্য করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,”আপনারা জোট করবেন কিনা সেটা আপনারা জানেন। কিন্তু, বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের একসঙ্গে আসা উচিত। জোটবদ্ধ হয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করা দরকার।” তবে, স্থানীয় কংগ্রেস নেতাদের ভূমিকা যে তিনি পছন্দ করছেন না, তাও সাফ জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

[আরও পড়ুন: সমন্বয়ের অভাব, গ্রিন করিডর সত্বেও কলকাতায় যানজটে ফেঁসে রোগী]

রাজ্যের লোকসভা নির্বাচনে চমকপ্রদ ফল করেছে বিজেপি। বিয়াল্লিশে-বিয়াল্লিশ আসন পাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ময়দানে নামা তৃণমূলের কপালে জুটেছে মোটে ২২টি। অন্যদিকে, ২ আসন থেকে বিজেপি পৌঁছে গিয়েছে ১৮ তে। ভোটের আগেও মমতা বাম-কংগ্রেসের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। বাম বা কংগ্রেসকে একটি ভোটও না দেওয়ার আহ্বান করেছিলেন। কিন্তু, লোকসভায় গেরুয়া শিবিরের আকস্মিক বাড়বাড়ন্ত যে মমতাকে চিন্তায় রাখছে তার ইঙ্গিত আগেও মিলেছে। এদিন বিধানসভায় মমতার এই প্রস্তাবও সেই চিন্তারই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রত্যাশিতভাবেই বাম এবং কংগ্রেস দুই দল মমতার এই প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছেন। বামেদের তরফে সুজন চক্রবর্তী এবং কংগ্রেসের তরফে আবদুল মান্নান দু’জনেই সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তৃণমূলের জন্যেই রাজ্যে বিজেপির বাড়বাড়ন্ত। 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং