শুভময় মণ্ডল: লাদাখ ইস্যুতে তোলপাড় গোটা দেশ। দাবি উঠেছে চিনা পণ্য বয়কটের। এই পরিস্থিতিতে ভারতের পাশেই দাঁড়ালেন কলকাতার চায়না টাউনের তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। সুর চড়ালেন চিনের বিরুদ্ধে।
ভারত-চিন সংঘর্ষে ভারতীয় জওয়ানদের প্রাণ ত্যাগের ক্ষত এখনও টাটকা। ক্ষোভের আগুন জ্বলছে প্রত্যেক দেশবাসীর ভিতর। এরাজ্যের ছবিটাও ভিন্ন নয়। জওয়ানদের উপর চিনাদের নৃশংসতার ছবি প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছে শহর থেকে জেলা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের বাসিন্দারা দাবি তুলেছেন চিনা পণ্য বয়কটের। এই পরিস্থিতিতে শনিবার কলকাতার চায়না টাউনের তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে একটি প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করেন জাভেদ খান ও তাঁর পুত্র ফইয়াজ খান। সেই প্রতিবাদ মিছিল থেকে চিনা, বাংলা, হিন্দি ও ইংরাজি ভাষায় চিনা বর্বরতার বিরুদ্ধে সরব হন চিনা বংশোদ্ভুত ভারতীয়রা। পাশে দাঁড়ান ভারতীয় সেনার। তাঁদের কথায়, “আমরা তিন দশক ধরে এই শহর কলকাতায় রয়েছি। আমরা সম্পূর্ণভাবে ভারতীয়।শহর কলকাতাকে আমরা নিজের প্রাণের থেকেও বেশি ভালোবাসি।আমাদের সঙ্গে চিনের কোনও সম্পর্ক নেই।”
[আরও পড়ুন: সরকারি প্রকল্পের ফলকই ঘরের সিঁড়ি! মেদিনীপুরবাসীর কীর্তিতে নাজেহাল প্রশাসন]
প্রসঙ্গত, চিনা নৃশংসতার শহিদ এদেশের ২০ জন জওয়ানের মধ্যে রয়েছেন এরাজ্যের দুজন। একজন বীরভূমের বাসিন্দা অপরজন আলিপুরদুয়ারের। গতকালই ঘরে ফিরেছে তাঁদের দেহ। অবিলম্বে বীরভূমের জওয়ানের বোনকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে প্রশাসন। শনিবার আলিপুরদুয়ারে শহিদ বিপুলের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে অর্থ।
[আরও পড়ুন: হাওড়ার চিতনানে ভাঙল রূপনারায়ণ নদের রিং বাঁধের একাংশ, আতঙ্কে স্থানীয়রা ]
সর্বশেষ খবর
-
‘চিনা সরকারই দায়ী’, নেপাল বিপর্যয় থেকে বেঁচে ফিরে বেজিংকে দুষছেন উত্তরপাড়ার পর্যটক
-
রেললাইনের ফিটনেস চেক! দুর্ঘটনা এড়াতে বিরাট উদ্যাগ রেলের, শিয়ালদহে ট্র্যাকের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বিশেষ মেশিন
-
মহাপ্রলয়ে মৃত ৮০৪, তিন মাস আগে হিমবাহের তথ্য চেয়েছিল নেপাল, চিনের গড়িমসিতেই বিপর্যয়!
-
বারাসতে বড় ম্যাচ ঘিরে হঠাৎই জটিলতা, ৬ সেপ্টেম্বর নৈশালোকে ডার্বির চেষ্টা আইএফএ-র
-
রাগের মাথায় লিভ-ইন পার্টনারকে সঙ্গে নিয়ে সাততলা থেকে মরণঝাঁপ তরুণীর! তারপর…

