সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা মোকাবিলায় সোমবার বিকেল ৪টে থেকে লকডাউন গোটা রাজ্যে। প্রথমে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগণায় ৩১ মার্চ পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল। কারণ পশ্চিমবঙ্গের এই দুই জেলাতেই করোনায় আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। এবার জানিয়ে দেওয়া হল ২৭ তারিখ পর্যন্ত লকডাউন থাকবে গোটা রাজ্য। পরিস্থিতি বুঝে লকডাউনের মেয়াদ আরও বাড়ানো হতে পারে।
যতদিন যাচ্ছে, দেশজুড়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও। যে কারণে দেশজুড়ে ৭৫টি জেলায় লকডাউনের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে রবিবার জনতা কারফিউর দিনই লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এদিন নবান্নর তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এখবর জানিয়ে দেওয়া হয়।
কিন্তু প্রশ্ন হল, লকডাউন পরিস্থিতিতে শহরের ছবিটা ঠিক কী রকম হবে? কোন কোন পরিষেবা পাবেন সাধারণ মানুষ। কী কী বন্ধ থাকবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক।
[আরও পড়ুন: ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে চলব’, করোনা প্রতিরোধে মোদির সুরেই সোচ্চার চিদম্বরম]
রাজ্য সরকারের তরফে বলা হয়েছে, লকডাউন থাকলেও সমস্ত জরুরি পরিষেবা পাবেন আমজনতা। অর্থাৎ তাঁদের দৈনন্দিন জীবনে যা যা অত্যাবশ্যক জিনিসের প্রয়োজন হয়, সেই সব পরিষেবাই খোলা রাখা হবে। চাল-ডাল-তেল-নুনের মতো খাদ্যসামগ্রীর জন্য খোলা রাখা হবে মুদির দোকান ও রেশন দোকান। অত্যাবশ্যক পরিষেবা যেমন পানীয় জল, ওষুধের দোকান, দুধ ইত্যাদি খোলা থাকবে। এছাড়া দমকল, পেট্রল পাম্প, শ্মশান, কবরস্থান, হাসপাতাল, প্যাথলজি ল্যাব, বিপর্যয় মোকাবিলার পরিষেবা মিলবে আগের মতোই। লকডাউনের আওতায় পড়বেন না সাফাইকর্মী এবং সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা। তবে মাছের বাজার কিংবা সবজি বাজার প্রতিদিনই খোলা রাখা হবে, নাকি মাঝেমধ্যে খুলবে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি।
ইতিমধ্যেই রাজ্যে সমস্ত লোকাল ও দূরপাল্লার রেল পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শপিং মল, পাব, রেস্তরাঁ, স্কুল-কলেজ, অফিস- সব বন্ধ। করোনা রুখতে সাধারণ মানুষকে যাতে বেশি করে বাড়িতে রাখা সম্ভব হয়, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত। এর আগে রাজস্থান ও পাঞ্জাবে লকডাউনের ঘোষণা করা হয়েছে। এবার এ রাজ্যেও একই পরিস্থিতি।
[আরও পড়ুন: করোনা আতঙ্কে প্রায় ফাঁকা শাহিনবাগ, জুতো রেখে চলছে প্রতিবাদ]
সর্বশেষ খবর
-
ভেঙে খানখান সাধের দল! ‘বিদ্রোহী’দের ফেরাতে জনে জনে ফোন করছেন মমতা
-
গেট খুললেই জুতোর বাড়ি! প্রতারণার অভিযোগে দুর্গাপুরে তৃণমূলের নেতার বাড়ির সামনে ধরনা
-
অতি ঘনিষ্ঠতাতেই ভাঙছে সেতু! সম্পর্ক বাঁচাতে দূরত্ব প্রয়োজন, বলছেন মনোবিদরা
-
একমাসে দু’বার মাইনে! অভিনব আইডিয়া উদ্যোগপতির, কতটা উপকৃত হবেন কর্মীরা?
-
ফেডারেশনের বৈঠকে ইট থেকে ডিমবৃষ্টি, টলিপাড়ায় ধুন্ধুমারে কাকে দায়ী করলেন রুদ্রনীল?