Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Madan Mitra Attacks Shovondeb Chatterjee

‘বিরোধী দলনেতা হওয়ার জন্য সই জাল’, মমতাপন্থী শোভনদেবকে ‘হ্যাংলা’ বললেন মদন মিত্র

শোভনদেবের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে মদন মিত্রের প্রশ্ন, কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ্য করলেন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ১৪:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ১৪:২৫

options
link
‘বিরোধী দলনেতা হওয়ার জন্য সই জাল’, মমতাপন্থী শোভনদেবকে ‘হ্যাংলা’ বললেন মদন মিত্র zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

তৃণমূলে ভাঙনের নেপথ্যে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে দুষে এবার বিস্ফোরক মদন মিত্র। বিরোধী দলনেতা নির্বাচন প্রসঙ্গে বর্ষীয়ান তৃণমূল বিধায়ককে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। তাঁর অভিযোগ, ‘বিরোধী দলনেতা হওয়ার জন্য সই জাল করেছেন শোভনদেব।’ তাঁকে ‘হ্যাংলা’ বলে তোপ দাগেন মদন।

শোভনদেবের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে মদন মিত্রের প্রশ্ন, কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ্য করলেন? তৃণমূল নেত্রী মমতাকে শ্রদ্ধা, নমস্কার জানিয়ে মদন বলেন, “শুধু চোখের জল ফেলে কেন সহ্য করলেন উনি?” শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম না করে কটাক্ষের সুরে মদন বলেন, “আমার বাড়ির পাশেই থাকেন বয়স্ক একজন ভদ্রলোক, উনি ৭২ সালে বার্লিন গিয়েছিলেন। তিনি বিরোধী দলনেতা হবেন বলে সব সই জাল করেছেন। এত হ্যাংলা?” এরপরই শোভনদেবের উপরই সরাসরি দল ভাঙনের অভিযোগ তুলে মদন বলেন, “তদন্ত হলে সব বেরিয়ে আসবে। যিনি মাতৃমন্ত্র ও চন্ডীপাঠ পড়ে নমিনেশন পেয়েছিলেন, এরকম পৃথিবীর ইতিহাসে নেই। সেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় আমাকে বলেছিলেন সার্কাসের ক্লাউন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পোষ্য হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরেধী দলনেতা করার জন্য সই নিয়ে মিথ্যে বলে দিলেন।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কী এই সই জাল কাণ্ড? সূত্রপাত ভোটের ফল ঘোষণার পর। গত ৬ মে বিধায়কদের নিয়ে কালীঘাটে তৃণমূলনেত্রী বৈঠক করেন। তাতে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হয়। ওইদিন যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁরা সকলে হাত তুলে শোভনদেবকে সমর্থন জানান। কিন্তু বিধানসভায় এই সংক্রান্ত যে প্রস্তাবনা জমা দিতে হয়, তা দেয়নি তৃণমূল। এরপর ১৩ ও ১৪ মে বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়কদের শপথগ্রহণ হয়। শপথের পর নিয়ম মেনে সই করেন বিধায়করা। বিরোধী দল হিসেবে তৃণমূলের কাছ থেকে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে প্রস্তাবপত্র চান বিধানসভার সচিব। তা জমা দিতে ১৯ মে ফের কালীঘাটে বৈঠক ডাকা হয় বিধায়কদের। ওইদিন কেউ ছিলেন, কেউ ছিলেন না। উপস্থিত সকলের সই নেওয়া হয় দলের তরফে। মিলিয়ে দেখা হয় ক’জন গরহাজির। পরে দলের প্রস্তাবিত বিরোধী দলনেতার নামে সমর্থন জানিয়ে ৭০ জনের সই করা একটি কাগজ জমা দেওয়া হয় বিধানসভায়। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, ওটাই বিরোধী দলনেতার প্রস্তাবনাপত্র। আর এখানেই গরমিল শুরু। দুই জায়গায় তৃণমূল বিধায়কদের সই না মেলায় সন্দেহ হয় সচিবের। জল গড়ায় থানায়। দায়ের করা হয় এফআইআর। তদন্তভার পেয়ে কাজ শুরু করে সিআইডি। একাধিক বিধায়ককে জেরা করা হয়। দলের ‘বিদ্রোহী’ বিধায়কের অভিযোগের তির ছিল অভিষেকের দিকে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.