Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জগদীপ ধনকড়

‘প্রতিদিনই ফোনে খোঁজ নেন মুখ্যমন্ত্রী’, মমতার সৌজন্যে আপ্লুত রাজ্যপাল

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা নিয়ে খোঁচা দিতেও ছাড়েননি ধনকড়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২০, ২২:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২০, ২২:১৭

options
link
‘প্রতিদিনই ফোনে খোঁজ নেন মুখ্যমন্ত্রী’, মমতার সৌজন্যে আপ্লুত রাজ্যপাল zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যপাল এবং মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে বিরোধ নতুন কোনও বিষয়ই নয়। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে কখনও প্রশাসনিক আবার কখনও শিক্ষাক্ষেত্র নিয়ে সংঘাত দু’পক্ষের লেগেই রয়েছে। তবে সংঘাত থাকলেও করোনা পরিস্থিতিতে সৌজন্য বজায় রাখতে ভোলেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রাজ্যপালের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী রোজই ফোন করেন তাঁকে। খোঁজ নেন তাঁর শরীর স্বাস্থ্যেরও। এমনকী রাজ্যপালের স্ত্রীর খোঁজ নিতেও ভোলেন না মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রীর সৌজন্য অবাক করেছে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে (Jagdeep Dhankhar)। তিনি বলেন, “প্রতিদিনই মুখ্যমন্ত্রী আমাকে ফোন করেন। আমি ও আমার স্ত্রীর খোঁজ নেন। দু’জনের স্বাস্থ্য নিয়েই মূলত কথা হয়। আমাকে বারবার স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে বলেন। মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।” যদিও রাজনৈতিক মহলের অনেকেই বলেন, কখন যে রাজ্যপাল এবং মুখ্যমন্ত্রীর সম্পর্ক ভাল রয়েছে তা বোঝা দায়। দু’পক্ষের সুসম্পর্ক ভীষণ ক্ষণস্থায়ী। কখন নবান্ন এবং রাজভবনের মধ্যে টুইট যুদ্ধ কিংবা পত্রবোমা চালাচালি হবে তা নিশ্চিত করে বলা যাবে না। করোনা পরিস্থিতি নিয়েও বারবার সংঘাতে জড়িয়েছেন রাজ্যপাল। তা সত্ত্বেও আবার কেন এমন মন্তব্য করলেন ধনকড়, তা বুঝতে পারছেন না খোদ রাজনীতিকরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সৃষ্টির নেশায় বুঁদ, হোম কোয়ারেন্টাইনেও দুর্গাপুজোর থিম নিয়ে ব্যস্ত করোনাজয়ী শিল্পী]

প্রশংসা করলেও করোনা পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় খোঁচা দিতেও ছাড়েননি রাজ্যপাল। কোভিড মোকাবিলার ব্যবস্থাপনায় যথেষ্ট ফাঁক রয়েছে বলেই রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ তাঁর। তবে কঠিন পরিস্থিতিতে সকলকে কোভিড বিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। নিয়ম না মানলে তার ফলে মারাত্মক হতে পারে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি আমফানের ত্রাণ নিয়ে ‘দুর্নীতি’র প্রসঙ্গ তুলেও রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন রাজ্যপাল। এখনই ত্রাণ নিয়ে ‘দুর্নীতি’ বন্ধ হওয়া উচিত বলেই মত তাঁর। 

[আরও পড়ুন: বয়স্কদের পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে কমিশনে চিঠি তৃণমূলের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.