১৬ ফাল্গুন  ১৪২৬  শনিবার ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

আন্দোলনেই আস্থা, CAA প্রতিবাদে ফেব্রুয়ারিতে টানা কর্মসূচি বেঁধে দিলেন মমতা

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: January 24, 2020 8:00 pm|    Updated: January 24, 2020 8:09 pm

An Images

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: আন্দোলনে ফল পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিরোধ গড়ে উঠেছে, পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তাই আন্দোলনের পথে হেঁটে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতা চালিয়ে যেতে হবে। শুক্রবার বিকেলে তৃণমূল ভবনে দলীয় বৈঠকে আগামিদিনে দলের দিশা স্থির করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পয়লা ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত লাগাতার সভা, মিছিলের মধ্যে দিয়েই CAA-NRC-NPR এর বিরোধিতা চলবে।

রাজ্যের শাসকদলের কর্মসূচি প্রাথমিকভাবে এরকম:

১,২ ফেব্রুয়ারি – ব্লকে ব্লকে মিছিল।
৫ ফেব্রুয়ারি – রাজ্যের ব্লকে ব্লকে মানববন্ধন কর্মসূচি।
৬ ফেব্রুয়ারি – বুকে CAA-NRC বিরোধী প্ল্যাকার্ড লাগিয়ে ব্লকে মৌন মিছিল।
৭ ফেব্রুয়ারি – ব্লকগুলিতে স্ট্রিট কর্নার।
৮ ফেব্রুয়ারি – বুথে বুথে মিটিং, ছোট পথসভা।
১০,১১,১২,১৩ ফেব্রুয়ারি – বিধায়ক, সাংসদ, কাউন্সিলর, পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের বাড়ি বাড়ি জনসংযোগ।

[আরও পড়ুন: তৃণমূল সাংসদ মিমির ‘বিজ্ঞাপন বিতর্ক’ নিয়ে মুখ খুললেন বাবুল-লকেট-সায়ন্তনরা]

শুক্রবারই উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর ফিরেই তৃণমূল ভবনে দলের জেলা সভাপতিদের নিয়ে বসেছেন বৈঠকে। সাম্প্রতিক সময়ের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু CAA ছিল আলোচ্য বিষয়বস্তু। পুরভোটের কথা মাথায় রেখে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনটিকেই হাতিয়ার করতে চান দলের সুপ্রিমো। সেইমতোই বেঁধে দিলেন কর্মসূচি। নজর রয়েছে
উদ্বাস্তু ভোটেও। তাই রানাঘাট, বনগাঁ, কল্যাণীকে কেন্দ্র করে জনসভা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনের বৈঠকে স্থির হয়েছে, বনগাঁয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভা হবে।

কল্যাণী, চাকদহ, গয়েশপুর – এই তিন বিধানসভার মধ্যে কোনও একটি জায়গায় হবে আরেকটি জনসভা। তবে তিনটি জনসভার কোনও দিনক্ষণ ঠিক হয়নি এখনও। অন্যদিকে, রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রটি এবার বিজেপির দখলে গিয়েছে। তা পুনরুদ্ধারে রানাঘাটেও জনসভা হবে মুখ্যমন্ত্রীর। আপাতত এমন কর্মসূচিই স্থির হয়েছে। তবে সবার আগে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধ্ব জুড়ে CAA বিরোধী অস্ত্রে আরও শান দিতে দলের সমস্ত জনপ্রতিনিধিকেই মাঠে নামাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে তাঁদের পারফরম্যান্সও একবার দেখে নেবেন দলের সর্বময় কর্ত্রী। 

[আরও পড়ুন: ‘চিঁড়ে খাচ্ছিল শ্রমিকরা’, বাংলাদেশি সন্দেহে বাড়ির কাজ বন্ধ করলেন কৈলাস!]

এদিনের বৈঠকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ উঠেছে। পুরসভা নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই নিয়ে নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। জেলা সভাপতি ও পর্যবেক্ষকদের তিনি জানিয়েছেন যে প্রার্থী ঠিক করবে দল, এ নিয়ে নিজেদের মধ্যে কেউ যেন বিবাদ না করে। দলে সবাই কর্মী। দলীয় সিদ্ধান্তই সকলকে মেনে চলতে হবে।

An Images
An Images
An Images An Images