Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
হিন্দি অ্যাকাডেমি

নজরে একুশ, অবাঙালি ভোটব্যাংক অটুট রাখতে হিন্দি অ্যাকাডেমির দায়িত্ব বাড়ালেন মমতা

'দলিত সাহিত্য অ্যাকাডেমি' তৈরিরও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২০, ১৭:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২০, ১৭:০৫

options
link
নজরে একুশ, অবাঙালি ভোটব্যাংক অটুট রাখতে হিন্দি অ্যাকাডেমির দায়িত্ব বাড়ালেন মমতা zoom

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: নয়া জাতীয় শিক্ষানীতির (NEP 2020) নামে বকলমে প্রত্যেক রাজ্যের উপর চাপানো হচ্ছে হিন্দি ভাষা। এই অভিযোগে সরব বিরোধীরা। বাংলাতেও হিন্দি আগ্রাসনের বিরোধিতায় কম প্রতিবাদ চলছে না। আর তারই মধ্যে একুশকে পাখির চোখ করে, অবাঙালি ভোটব্যাংক অক্ষুণ্ণ রাখতে হিন্দি সেলের (Hindi Cell) পুনর্গঠন করল রাজ্যের শাসকদল। তাতে আমূল সংস্কার করে হিন্দি অ্যাকাডেমির দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে এই ঘোষণার পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া ভাষাচর্চায় জোর দিতে ‘দলিত সাহিত্য অ্য়াকাডেমি’ তৈরির কথা বলেছেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, হিন্দি সেলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন লোকসভার প্রাক্তন সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী, চেয়ারম্যান আইএএস বিবেক গুপ্তা। এছাড়া সেলের অন্যান্য সদস্যদের নামও এদিন ঘোষণা করেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ২০১১ সালে এ রাজ্যে হিন্দি সেল তৈরি করেন তিনি। শুধু হিন্দিই নয়, উর্দু, সাঁওতালি, গোর্খা, রাজবংশি, কুরুক-সহ একাধিক ভাষাকে মান্যতা দিয়েছে, মর্যাদাবৃদ্ধি করেছে রাজ্য সরকার। তবে এবার একুশকে সামনে রেখে হিন্দি নিয়ে অন্যরকম পদক্ষেপ নেওয়া হল। জানা গিয়েছে, হিন্দি সেলের কমিটি তৈরি হবে ব্লক, জেলা ও রাজ্য – এই তিনটি স্তরেই। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘খোলা প্যান্ডেল হলে বেরিয়ে যাবে জীবাণু’, দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে পরামর্শ মমতার]

এছাড়া এদিন আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দলিতদের জন্য এবং পিছিয়ে পড়া প্রাচীন লোকসংস্কৃতি ভাষার চর্চায় জোর দিতে রাজ্যে  ‘দলিত সাহিত্য অ্য়াকাডেমি’ তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন। পাশাপাশি রাঢ় বাংলার মল্লভূম রাজাদের সময় পুরনো সংস্কৃত পাণ্ডুলিপিগুলিকে ডিজিটাইজড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। 

[আরও পড়ুন: ‘যাঁরা বিশ্বাস করেন করোনা চলে গিয়েছে তাঁদের ভাবা প্রয়োজন’, ফের টুইট উদ্বিগ্ন ধনকড়ের]

আজ ‘হিন্দি দিবসে’র শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হিন্দি ভাষাকে আরও মর্যাদা দিতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি অন্যান্য ভাষার প্রতিও রাজ্য সরকার শ্রদ্ধাশীল বলে ব্যাখ্যা করেন তিনি। এরপরই বাংলাকে ধ্রুপদী ভাষা হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে ফের সোচ্চার হন। ফের দাবি তোলেন, বাংলার ব্যপ্তি এবং ঐতিহ্যের কথা বিবেচনা করে নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে তাকে ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদা দেওয়া হোক।

আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে, বাংলা নিয়ে এত সোচ্চার হওয়ার পরও কেন নিজের রাজ্যে হিন্দি ভাষাকে এতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন মমতা? যদিও তাঁর জবাব, যে কোনও ভাষাকেই মাতৃভাষার মতই সম্মান দিতে তৎপর রাজ্য সরকার। কিন্তু আসল নজর যে এ রাজ্যের হিন্দিভাষী মানুষজনের ভোট, তা মোটেই আর আড়ালে থাকছে না বলে মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.