১ শ্রাবণ  ১৪২৬  বুধবার ১৭ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

শুভজিৎ মণ্ডল, শুভময় মণ্ডল: আরও এক বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের সাক্ষী রইল শহর কলকাতা৷ রবিবার বিকেলে শহরের অন্যতম জনবহুল এলাকা লেনিন সরণির বিরাট বাজার নামে এক বহুতলে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় ছড়াল আতঙ্ক৷ কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে চারপাশ৷ খবর পেয়ে দমকলের ৫টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে৷ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আগুন খানিকটা নিয়ন্ত্রণে আসে৷

আরও পড়ুন: গরম উপেক্ষা করে মহৎ প্রয়াস, নয়া রেকর্ড গড়ল ‘মায়ের জন্য রক্তদান’ কর্মসূচি

জানা গিয়েছে, শেষ বিকেলে ওই বিল্ডিংয়ের একটি বাড়ির ছাদে অস্থায়ী কাঠামোই আগুনের উৎস৷ এখানে গেঞ্জি তৈরির ফ্যাক্টরি ছিল, ছিল মোবাইল স্টোরও৷ তবে কারখানাটি বেআইনি বলে অভিযোগ জানাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা৷ সেখান থেকেই দাউদাউ আগুন ছড়িয়ে পড়ে৷ রাস্তা থেকে কালো ধোঁয়া দেখতে পান পথচলতি মানুষজন৷ রবিবার হওয়ায় বিল্ডিংটি ফাঁকাই ছিল, তাই বড়সড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে৷ তবে বিল্ডিংয়ের মধ্যে কেউ বা কারা আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না৷ আগুন ছড়াতে থাকলে ভেঙে পড়তে থাকে বিল্ডিংয়ের একের পর এক চাঙড়৷ আতঙ্কে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে যানচলাচল৷ 

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঘটনার অন্তত ২০ মিনিট পর দমকল পৌঁছায় ঘটনাস্থলে৷ এরপর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠলে ল্যাডার নিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন দমকলকর্মীরা৷ কিন্তু তা আনতেও দেরি হয়৷ সময়মতো দমকল বাহিনী কাজ শুরু করলে, আগুন এতটা বড় আকার নিত না বলেও দাবি তাঁদের৷ তবে ল্যাডার কাজে লাগিয়ে আগুন নেভানোর কাজও এক্ষেত্রে খুব সহজ নয়৷ কারণ, ঘিঞ্জি এলাকায় ঢুকে কাজ করতে বেশ অসুবিধার মুখে পড়তে হচ্ছে দমকলকর্মীদের৷ তাঁরা আশেপাশের বহুতলগুলির ছাদ থেকে জল ছড়িয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন বলে খবর৷ কিছুক্ষণের চেষ্টা আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও, পুরোপুরি তা আয়ত্বে আনা যায়নি৷ এখনও রয়েছে পকেট ফায়ার৷ খবর পাওয়ার পরপরই লেনিন সরণিতে পৌঁছে যান রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু৷

আরও পড়ুন: ম্যাজিক দেখাতে গিয়ে বিপদ, মাঝগঙ্গায় তলিয়ে গেলেন জাদুকর

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং