২৭ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  শনিবার ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

কৃষ্ণকুমার দাস: শেষ কয়েকমাসে কার্যত ভয়ংকর রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু। রাজ্যের বিভিন্নপ্রান্তে ডেঙ্গির বলি হয়েছেন বহু মানুষ। ডেঙ্গু নিধনের পুরসভার তরফে একাধিক পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও পালটায়নি ছবিটা। বরং ক্রমশ বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। তাই এবার ডেঙ্গু মোকাবিলায় পথে নামলেন খোদ মহানাগরিক। রবিবার সকালে চেতলা এলাকায়  জঞ্জাল পরিষ্কার করতে দেখা গেল তাঁকে।

পুজোর কয়েকমাস আগে থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে থাবা বসাতে শুরু করেছিল ডেঙ্গু। মূলত সীমান্তবর্তী এলাকায় লাফিয়ে বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। দু-একদিনের জ্বরে মৃত্যু হয়েছে বহু মানুষের। সঠিক সময়ে রোগ শনাক্ত করা গেলে কিছুক্ষেত্রে প্রাণ বেঁচেছে আক্রান্তদের। একই ছবি শহর কলকাতাতেও। শহরেও ছোবল দিয়েছে মশাবাহিত এই রোগ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রথম থেকেই বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিল পুরসভাগুলি। নিয়মিত এলাকায় সাফাই অভিযান চালিয়েছেন পুরসভার সাফাইকর্মীরা। সতর্ক করা হয়েছে এলাকার বাসিন্দাদের। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি কার্যত একই রয়ে গিয়েছে। ক্রমাগতই বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা।  সেই কারণেই রবিবার ডেঙ্গু মোকাবিলায় নিজের ওয়ার্ড সাফাইয়ে হাত লাগালেন খোদ মেয়র ফিরহাদ হাকিম। এদিন সকালে পুরকর্মীদের নিয়ে চেতলা এলাকায় ঘোরেন ফিরহাদ হাকিম। নিজে হাতে এলাকার বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকা জঞ্জাল সাফাই করেন তিনি।

[আরও পড়ুন: আনন্দ করতে যাওয়াই কাল, ইকো পার্কের জলাশয়ে ডুবে মৃত্যু শিশুর]

ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘জমে থাকা জল, জঞ্জালই ডেঙ্গুর জন্মভূমি। তাই ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে। নিজের স্বার্থে, নিজের বাচ্চা ও পরিবারের স্বার্থে সকলকে নিজের এলাকা পরিষ্কার রাখতে হবে। প্রতিবেশীদেরও বোঝাতে হবে যে, প্রত্যেকেই যেন এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করেন।’ মেয়র জানিয়েছেন, শুধু তিনিই নন, প্রত্যক ওয়ার্ডের কাউন্সিলররাই নিজের নিজের এলাকায় সাফাই অভিযানে হাত লাগাবেন। যাতে মানুষ সচেতন হন। যাতে ডেঙ্গুর দাপট নিয়ন্ত্রণে আসে।  

দেখুন ভিডিও: 

[আরও পড়ুন: বুলবুলে ক্ষতি প্রায় ২৪ লক্ষ কোটি টাকা, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে হিসেব দিল নবান্ন]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং