Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
শীত

উত্তুরে হাওয়া প্রবেশের পথে বাধা নিম্নচাপ, কবে শীত আসবে বঙ্গে?

জেনে নিন কী বলছে হাওয়া অফিস।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০১৯, ০৮:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০১৯, ০৮:৪৭

options
link
উত্তুরে হাওয়া প্রবেশের পথে বাধা নিম্নচাপ, কবে শীত আসবে বঙ্গে? zoom

স্টাফ রিপোর্টার: ভরা হেমন্তেই শিরশিরানি টের পেয়েছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। “শীত পড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।”-হাওয়া অফিসের কর্তার এহেন বক্তব্যের জেরে আলমারি থেকে চাদর-সোয়েটার বেরিয়ে পড়তেও দেরি হয়নি। শীতের আমেজ পোহানোর জন্য মহানগর যখন সদ্য গুছিয়ে বসেছে, ঠিক তখনই শিরশিরানির পথে বাধা হতে চলেছে নিম্নচাপ। যা শীতের পথে প্রাচীর তুলতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মৌসম ভবনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় রবিবার বলেন, আন্দামান সাগরে সোমবার একটি নিম্নচাপ তৈরির প্রবল সম্ভাবনা। যদিও আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এ রাজ্যে তার কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই জানিয়েছেন তিনি। যদিও বিশেষজ্ঞদের কথায়, পরোক্ষ প্রভাবে আগামিকাল থেকে বাংলার আকাশে মেঘ ঢুকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা। ফল, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে দু’-তিন ডিগ্রি বেড়ে যেতে পারে। এদিন আলিপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২২.৬ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। গত কয়েকদিন ধরে আকাশ পরিষ্কার থাকায় শুকনো হাওয়ার আনাগোনা অব্যাহত ছিল। যার জেরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছিল স্বাভাবিকের আশপাশে। কিন্তু নিম্নচাপের ধাক্কায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেড়ে শীতের দফারফা হওয়ার সম্ভাবনা পুরোদস্তুর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আসলে শীত নির্ভর করে উত্তুরে হাওয়ার উপর। উত্তুরে হাওয়ার গতি যত বাড়বে রাজ্যে শীতের দাপটও তত বাড়বে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, নিম্নচাপ বা ঘূর্ণাবর্তের জন্য গোসাঘরে খিল দেয় উত্তুরে হাওয়া। সমুদ্র থেকে গরম হাওয়া ঢুকে স্থলভূমির উত্তাপ বাড়ায়। এমনই পরিস্থিতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই নিম্নচাপের প্রভাবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে রাতের তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে। ফলে কয়েকদিন ধরে সকালের দিকে যে শিরশিরানি অনুভূত হচ্ছিল, তাতে ছেদ পড়বে।

[আরও পড়ুন:‘বাংলাতেও অনেকের গোপনীয়তা খর্ব হয়েছে’, ফোন ট্যাপিং নিয়ে পালটা রাজ্যপালের]

বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা, নিম্নচাপের প্রভাবে বাতাসের উঁচু স্তরে মেঘ ঢুকছে, যা আকাশকে মেঘলা করবে। পরে নিচুস্তরেও মেঘ ঢুকবে। যার জেরে দিনের তাপ রাতে বেরোতে পারবে না। ফলে বাড়বে রাতের তাপমাত্রা। বস্তুত, অক্টোবর-নভেম্বর মাস বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের মরশুম। এই সময় নিম্নচাপ হলে তা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। বছর তিনেক আগে ঠান্ডার রথে রাশ টেনেছিল অক্টোবর-নভেম্বরে আন্দামান সাগরে তৈরি দু’টি ঘূর্ণিঝড় ‘হেলেন’ ও ‘লহর’। উত্তরবঙ্গের দরজা খুলে অবশ্য ইতিমধ্যেই ঢুকে পড়েছে শীতবুড়ো। রবিবার কোচবিহারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল সতেরোর ঘরে। হালকা শীতপোশাকে মুখ ঢেকেছে তরাই-ডুয়ার্সও৷ দক্ষিণবঙ্গেও উঁকিঝুঁকি মারতে শুরু করেছে শীত। সঞ্জীববাবু এদিন বলেন, “আগামী কয়েকদিন শহরের তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের হবে না। তবে পশ্চিমাঞ্চলের তাপমাত্রা আরেকটু নেমে যেতে পারে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও বাড়ার সম্ভাবনা কম। ফলে শীতের আমেজ বজায় থাকবে।”

তাহলে কবে জাঁকিয়ে শীত পড়বে রাজ্যে? আবহাওয়াবিদরা বলছেন, শীতের আমেজ অনুভূত হলেও এই মুহূর্তে হাড়-কাঁপানো ঠান্ডার পরিস্থিতি তৈরি হবে না। তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ডিসেম্বরের মাঝ বরাবর। তবে নিম্নচাপের প্রভাব কেটে গেলে ফের শীতের আমেজ অনুভূত হবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও নিম্নচাপের জেরে চলতি সপ্তাহে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেডে় যাবে বলেই মনে করছে আবহাওয়াবিদদের একাংশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.