Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Iran Israel War

ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ নিয়ে ভাবেন না! কলকাতার একমাত্র ইহুদি-সমাধিস্থলের দেখভালে নাফরাজউদ্দিনরাই

২০১২ সালে মুর্শিদাবাদের রাজমিস্ত্রিরা এসে ইহুদিদের সমাধিস্থলগুলির সংস্কারকার্য করেন। দীর্ঘ বহু বছর ধরে এখানে কাজ করছেন মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা নাফরাজউদ্দিন মণ্ডল।

Advertisement
নিরুফা খাতুন
নিরুফা খাতুন

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২৬, ১৫:৩৬

link
নিরুফা খাতুন
নিরুফা খাতুন

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২৬, ১৫:৩৬

options
link
ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ নিয়ে ভাবেন না! কলকাতার একমাত্র ইহুদি-সমাধিস্থলের দেখভালে নাফরাজউদ্দিনরাই zoom
ফুলবাগানে ইহুদিদের কবরস্থল।

ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধ (Iran Israel War) আবহে কোনও বিভেদ তৈরি হয়নি এই শহরে ইহুদি ও মুসলিমদের মধ্যে। মডিকাই কোহেন, জোসেফ স্যামুয়েলসদের সমাধি রক্ষণাবেক্ষণ করে চলছেন নাফরাজউদ্দিনরা। তাদের সমাধিকাজেও সহযোগিতা করে থাকেন মুসলিমরা।

স্যামুয়েলদের ফুলবাগানে নারকেলডাঙা মেন রোডের উপর রয়েছে ইহুদিদের কবরস্থান। কলকাতা পুরসভা এটি হেরিটেজ ঘোষণা করে ব্লু প্লাক লাগিয়েছে। এখানে১০ হাজারের বেশি সমাধি রয়েছে। বছরের পর বছর ধরে এই কবরস্থান রক্ষণাবেক্ষণের কাজে জড়িত রয়েছেন মুসলিমরা। রক্ষণাবক্ষেণের কাজে এখানে চারজন কর্মী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দুজন মুসলিম। সংস্কারের অভাবে এখানে পুরনো সমাধিস্থলগুলি প্রায় ভঙ্গদশা হয়ে পড়েছিল। ঝোপঝাড়ে ভরে উঠেছিল।

Advertisement

২০১২ সালে মুর্শিদাবাদের রাজমিস্ত্রিরা এসে ইহুদিদের সমাধিস্থলগুলির সংস্কারকার্য করেন। দীর্ঘ বহু বছর ধরে এখানে কাজ করছেন মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা নাফরাজউদ্দিন মণ্ডল। তিনি বলেন, “গাজায় কী হয়েছে, ইরানে এখন কী হচ্ছে, তা নিয়ে এখানে কোনও ঝামেলা-বিবাদ নেই। আমরা এসব নিয়ে ভাবিও | না। এই শহরে ইহুদিরা আগেও ছিল। এখন সংখ্যা কমে গিয়েছে। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে আমাদের কোনও বিভেদ নেই। আমার আগেও এখানে অনেক মুসলিম কাজ করতেন। তাঁদেরও কোনও সমস্যা হয়নি। এই সমাধিস্থলে আমরা থাকি, নমাজ, রোজা, সবই পালন করছি। ইহুদি যাঁরা আছেন, তাঁরাও আমাদের কাজের প্রশংসা করেন। আমাদের যাতে কোনও সমস্যা না হয় সেদিকেও নজর রাখেন।”

নাফরাজউদ্দিনের সঙ্গে তাঁর এক ভাইপো এখানে কাজ করছেন বর্তমানে। ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধ আবহে ইহুদিদের এই সমাধিস্থলে অবশ্য পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। লালবাজার ও ফুলবাগান থানার সমাধিস্থলে ঘুরে যায়। ১৭৯৮ সালে কলকাতায় এসেছিলেন শালোম আহারন ওবাদিয়া কোহেন। কলকাতায় আসার আগে থেকেই প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। ইহুদিদের সমাধিস্থলে খোঁজ করছিলেন এই শহরে। শোনা যায়, কবরস্থানটি মুসলিম এক ব্যক্তির জমিতে গড়ে উঠেছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.