Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

‘আমার ফোনে আড়ি পাতছে কেন্দ্র’, বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার

কেন্দ্রের ঘাড়ে চাপালেন হোয়াটসঅ্যাপে তথ্য ফাঁসের দায়ও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২২, ১৪:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২২, ১৪:৩৩

options
link
‘আমার ফোনে আড়ি পাতছে কেন্দ্র’, বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার zoom
ফাইল ছবি

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: আমার ফোনে আড়ি পাতছে কেন্দ্রের সরকার। শনিবার ফের মারাত্মক অভিযোগ সামনে আনলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের ঘাড়ে চাপালেন হোয়াটসঅ্যাপে তথ্য ফাঁসের দায়ও। ছট পুজোয় অংশ নিতে গিয়ে দইঘাটে এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রসঙ্গ ছিল ইজরায়েলি সংস্থার হোয়াটসঅ্যাপে তথ্য ফাঁস। সেখানকার সংস্থা এনএসও’র তৈরি স্পাইওয়্যারের মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক করে নজরদারি চালানো এবং তথ্য ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। কেন্দ্রের সরকারও এ কথা স্বীকার করে নোটিস পাঠিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপকে।

এই তথ্য ফাঁসের ঘটনা নিয়েই এদিন সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সরাসরি দায় চাপিয়েছেন কেন্দ্রের উপর। তাঁর অভিযোগ, এনএসও’ই ওই সফটওয়্যার কেন্দ্রকে দিয়েছে। কেন্দ্রের নির্দেশেই ফোন-হোয়াটসঅ্যাপে আড়ি পাতা হচ্ছে। জাসুসি চলছে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “ভারতীয় সংবিধানের ৪১ নম্বর ধারা অনুযায়ী আমাদের প্রত্যেকের মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে। কিন্তু আমরা কি স্বাধীনতা পাচ্ছি? কেউ কথা বললেই তা শুনে ফেলছে। আগে তো হোয়াটসঅ্যাপ সেফ ছিল। এখন তো তা-ও খোলা যায়। ল্যান্ড ফোন, মোবাইল, হোয়াটসঅ্যাপে জাসুসি চলছে। এটা সিরিয়াস বিষয়। ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে।” এর পরই সরাসরি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মমতা। বলেন, “আমার ফোন ট্যাপ হচ্ছে। আমার কাছে খবর আছে। কী পাবে ফোন ট্যাপ করে? সরকারই তো আমার ফোন ট্যাপ করছে।” প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement

শুধু তাঁর নয়, রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী, আমলা, বিচারপতি, আইনজীবী, সাংবাদিকদের ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপেও আড়ি পাতা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মমতা। সোশ্যাল মিডিয়ায় যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে হোয়াটসঅ্যাপ এখন অপরিহার্য। মেসেজ, ভিডিও, অডিও, সফ্‌ট ফাইল, ফোন নম্বর পাঠানো ছাড়াও সরাসরি ভয়েস বা ভিডিও কল করে দ্রুত কথা বলে নেওয়া যায়। ফোনে আড়ি পাতা সহজ হওয়ায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গোপন তথ্য আদান-প্রদানের জন্য হোয়াটসঅ্যাপই ছিল সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। তা-ও ফাঁস। যা নিয়ে নিজের দুশ্চিন্তার কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “সবসময় তো সরকারি অফিস খোলা থাকে না। কোথাও আপৎকালীন পরিস্থিতি তৈরি হল। পুলিশকে কোনও তথ্য দিতে হল। এবার তো সে তথ্য ফাঁস হয়ে যাবে। গোপনীয়তা নষ্ট হচ্ছে।” উদ্বিগ্ন মমতার প্রশ্ন, “এভাবে চললে সরকার কাজ করবে কীভাবে?”

[আরও পড়ুন: রবীন্দ্র সরোবরে অবাধে চলল ছট পুজো, বাইরে ‘নীরব’ পুলিশ]

তথ্য ফাঁসের বিষয় নিয়ে লোকসভা ভোটের সময়ও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন মমতা। এদিনও হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ে তাঁর সমালোচনার মুখে পড়ে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এটা ফ্যাক্ট যে ইজরায়েলের সংস্থা এনএসও ফোন ট্যাপ করার ওই সফটওয়্যার কেন্দ্রকে দিয়েছে। এর সঙ্গে দু’টি র‌াজ্যের সরকারও যুক্ত আছে। তাদের নাম বলব না। কিন্তু তাদের মধ্যে একটি বিজেপি সরকার।” বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে নিজের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বেশ কিছুটা খোঁজখবরও নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিষয়টির ভয়াবহতা নিয়ে বলেছেন, “এভাবে হোয়াটসঅ্যাপ ফাঁস করার জন্য একটি বিশেষ গাড়ি ব্যবহার করা হচ্ছে। সেই গাড়ির মধ্যে ওই সফটওয়ার রয়েছে। গাড়ি যেখানে যাচ্ছে সেখানে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে যে কারও ইচ্ছে ফোন কিংবা হোয়াটসঅ্যাপ থেকে তথ্য নিয়ে নিচ্ছে।”

দেখুন কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী- 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.