Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
মমতা

‘কাশ্মীরে সংকট’, বিশ্ব মানবতা দিবসে উপত্যকার পরিস্থিতি নিয়ে টুইটারে উদ্বেগ মমতার

৯৫ সালে নিজের সংগ্রামের দিনগুলির কথাও স্মরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০১৯, ১১:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০১৯, ১১:৪২

options
link
‘কাশ্মীরে সংকট’, বিশ্ব মানবতা দিবসে উপত্যকার পরিস্থিতি নিয়ে টুইটারে উদ্বেগ মমতার zoom

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: বিশ্ব মানবতা দিবসকে সামনে রেখে ফের কাশ্মীর ইস্যুতে কেন্দ্রকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজকের দিনটি, ১৯ আগস্টকে বিশ্ব মানবতা দিবস হিসেবে চিহ্নিত করেছে রাষ্ট্রসংঘ। প্রতি বছরই বিভিন্নভাবে তা পালন করে একাধিক রাষ্ট্র। তবে এই মুহূর্তে এদেশে মানবাধিকার সংকটের মুখে বলে মনে করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। এদিন টুইটারে সেই ইঙ্গিতই দিয়েছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: পুলিশ হেফাজতে সর্বক্ষণ ছেলের পাশে মা, আরসালানকে সান্ত্বনা পরিবারের]

বিশ্ব মানবতা দিবসে বাংলা এবং ইংরাজি, দুটি ভাষাতেই টুইট করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লিখেছেন, ‘কাশ্মীরের মানুষদের অধিকার পুরোপুরি লঙ্ঘন করা হচ্ছে। আমরা সবাই কাশ্মীরের মানবাধিকার ও শান্তির জন্য প্রার্থনা করি।` এরপর তিনি আরও লেখেন, “মানবাধিকার রক্ষা আমার হৃদয়ের খুব কাছের বিষয়। ১৯৯৫ সালে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও লক-আপে মৃত্যুর প্রতিবাদে ২১ দিন রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছি।”

Advertisement

দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় দ্বিতীয়বার দেশের ক্ষমতায় আসার পর জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং বড়সড় সিদ্ধান্ত কার্যকর করে মোদি সরকার। ভূস্বর্গ থেকে অস্থায়ী ৩৭০ ধারা অর্থাৎ বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা তুলে দুটি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে – জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ। সংসদে প্রায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্তের পক্ষে সিলমোহর দেওয়া হলেও কংগ্রেস, তৃণমূল এর বিরোধিতা করেছে। সিদ্ধান্তের পরপরই তৃণমূল সুপ্রিমো কোনও প্রতিক্রিয়া না দিলেও, পরে তিনি স্পষ্টই করেছেন বিরোধিতা। তাঁর অভিযোগ, সাংবিধানিক নিয়ম মেনে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি। আর তাঁর বিরোধিতা সেখানেই। এরপর বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কোথাও কাশ্মীর ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগার সুযোগটি হাতছাড়া করেননি একেবারেই। যদিও বাস্তব ছবি অন্য। কেন্দ্রের তরফে বাড়তি সেনা মোতায়েন, স্বয়ং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার উপত্যকার রাস্তায় ঘুরে ঘুরে জনগণের মনোভাব বুঝে নেওয়ার চেষ্টা – এসব যে বিফলে যায়নি, সোমবারের চিত্র তারই প্রমাণ। এদিন থেকে উপত্যকায় স্বাভাবিক জনজীবন ফিরেছে। স্কুল-কলেজ খুলে যাওয়ায়  ছন্দে ফিরেছে পড়ুয়ারাও। আতঙ্কহীন নতুন সকাল দেখছেন উপত্যকাবাসী।

[আরও পড়ুন: প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে বন্দির উপর হামলা, গুরুতর আহত কুখ্যাত দুষ্কৃতী]

এই ছবিতেও যেন ভরসা পাচ্ছেন না বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তাই তিনি আজকের দিনটিকে উল্লেখ করে কাশ্মীরে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন টুইটবার্তায়। সেইসঙ্গে মানবাধিকার ফেরাতে নিজের সংগ্রামের কথাও উল্লেখ করেছেন। তবে তা ছাপিয়েও বিশ্ব মানবতা দিবসে কাশ্মীর ইস্যুতে তাঁর মন্তব্য নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.