Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Congress

এখনও প্রস্তুত নয় কংগ্রেস, বামেদের সঙ্গে আসনরফা নিয়ে আলোচনা থমকে গেল মাঝপথেই

যৌথ আন্দোলন নিয়ে আলোচনা সারল দু'পক্ষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৫, ২০২১, ১৯:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৫, ২০২১, ১৯:৪২

options
link
এখনও প্রস্তুত নয় কংগ্রেস, বামেদের সঙ্গে আসনরফা নিয়ে আলোচনা থমকে গেল মাঝপথেই zoom
ছবি: প্রতীকী।

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: আসনরফা নিয়ে কথা হবে। তাই সব তাস আস্তিনে লুকিয়ে সভায় ছিলেন বামনেতারা (CPM)। কিন্তু শুরুতেই সব আশায় জল ঢালল বিধানভবন। কোন ফর্মুলায় রফা? দলে কথা হয়নি, তাই আলোচনা সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দেয় কংগ্রেস (Congress)। অগত্যা যৌথ আন্দোলন নিয়ে আলোচনা সেরেই ফিরতে হল দু’পক্ষকে।

বামেদের সঙ্গে আসনরফা নিয়ে দর কষাকষি করতে আগেই চার সদস্যের কমিটি গঠন করে দেয় কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। এদিনের বৈঠক যে নিষ্ফলা হতে চলেছে সেই আঁচ মিলেছিল বৈঠকর শুরুতেই। চার বামদলের সকলে হাজির থাকলেও কংগ্রেসের চার সদস্যের মধ্যে দু’জন অনুপস্থিত থাকেন। ছিলেন না প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরি ও বিধায়ক নেপাল মাহাত। সূত্রের খবর, বৈঠকের শুরুতেই আসনরফা নিয়ে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু কথা শুরু করতে উদ্যোগী হলে বাধ সাধেন কংগ্রেসের দুই প্রতিনিধি বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান ও সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য। জানিয়ে দেন, হাইকম্যান্ড গঠিত কমিটির চারজন এখনও মুখোমুখি বসতে পারেননি। তাই আসনরফা নিয়ে তাঁদের পক্ষে আলোচনা শুরু করা সম্ভব নয়। প্রদেশ সভাপতি কোনও ‘গাইডলাইন’ দেননি বলেও জানান তাঁরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন : ‘স্বাস্থ্যসাথী’ পরিষেবার সাফল্যে রাজ্যবাসীকে ধন্যবাদ, ঘরে ঘরে পৌঁছচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর চিঠি]

তবে আসনরফা করতে গিয়ে অযথা জটিলতা বাড়ালে বিজেপি ও তৃণমূল সুবিধা পাবে। রাজ্য ও কেন্দ্রের শাসকদল যাতে কোনও সুবিধা না পায় সে বিষয়ে সম্মত হয় জোটের দুই শিবির। যেমন পুরুলিয়ায় ফরওয়ার্ড ব্লককে একটি আসনও ছাড়বে না বলে জেলা কংগ্রেস জানিয়েছে। বৈঠকে এই দাবি নাকচ করে দেন কংগ্রেসেরই দুই নেতা। তবে নির্বিঘ্নে আসনরফা কতটা সম্ভব তা নিয়ে ধন্দে বাম শিবির। জটিলতা কাটিয়ে বামেরা যে দ্রুত আসনরফা সেড়ে ফেলার পক্ষপাতী বৃহস্পতিবার সেই ইঙ্গিত মিলেছে ফ্রন্ট চেয়ারম্যানের গলায়। তিনি জানান, “জোট কখনওই তৃণমূল ও বিজেপির পিছন পিছন চলবে না।”

বৈঠকে ঠিক হয়, ২৩ জানুয়ারি নেতাজির ১২৫তম জন্মদিবসে হবে অনুষ্ঠান। সেখানে যোগ দেবে কংগ্রেস। আবার ২৬ জানুয়ারি সাধারণতন্ত্র দিবসে বামেরা এককভাবে মানব বন্ধন ও ৩০ জানুয়ারি মৌলালি থেকে বেলেঘাটা গান্ধী আশ্রম পর্যন্ত যৌথ মিছিল করা হবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। যৌথ ব্রিগেড সমাবেশের সিদ্ধান্তও এদিন নেন বাম-কংগ্রেসের নেতৃবৃন্দ। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে অথবা মার্চ মাসের শুরুতে এই সমাবেশ হবে বলে জানিয়েছেন উভয় পক্ষের নেতৃবৃন্দ। তবে ফের বৈঠকে বসার আগে কংগ্রেস যাতে নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া সম্পূর্ণ করে নেয়, বামেদের পক্ষ থেকে সেই আবেদন করা হয় বলে খবর।

[আরও পড়ুন : বিবেকানন্দের জন্মদিনে ‘বিবেকের ডাক’ কর্মসূচি বিজেপির, থাকবেন শুভেন্দু-কৈলাস-দিলীপরা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.