Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
বেতন বৃদ্ধি

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শিক্ষাবন্ধুদের সভার আগেই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, উত্তপ্ত করুণাময়ী

আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০১৯, ১৫:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০১৯, ১৫:৫৫

options
link
বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শিক্ষাবন্ধুদের সভার আগেই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, উত্তপ্ত করুণাময়ী zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেতনবৃদ্ধির দাবিতে শিক্ষাবন্ধুদের সভা শুরুর আগেই ভেঙে দিল পুলিশ। অভিযোগ, সভা ভাঙার জন্য উপস্থিত শিক্ষাবন্ধুদের উপর লাঠিচার্জও করা হয়। ছোঁড়া হয় জলকামান। ঘটনায় রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে সল্টলেকের করুণাময়ী। তবে পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

[ আরও পুলিশ: মহিলাকে ধারাল অস্ত্রের কোপ ব্যক্তির, আতঙ্কে ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিলেন যাত্রীরা ]

ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার দুপুরের দিকে। এদিন বেতনবৃদ্ধির দাবিতে করুণাময়ীতে জমায়েত হওয়ার কথা ছিল শিক্ষাবন্ধুদের। সেখানেই সভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পুলিশের অভিযোগ, সভার অনুমতি নেওয়া হয়নি। তবে সভা হওয়ার খবর আগেই অন্য সূত্র থেকে এসেছিল। ফলে করুণাময়ী এলাকায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছিল। তাই সভা শুরুর আগেই শুরু হয়ে যায় ধরপাকড়। পুলিশ ও শিক্ষাবন্ধুদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। ঘটনায় আহত হন কয়েকজন। এরপর আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে আরও শক্ত হয় পুলিশ। লাঠিচার্জ করা হয় তাদের উপর। ছোঁড়া হয় জলকামানও। গ্রেপ্তার করা হয় আন্দোলনকারীদের নেতৃত্বে থাকা মইদুল ইসলামকে।

Advertisement

এদিকে সভায় যোগ দেওয়ার জন্য উল্টোডাঙা থেকে মিছিল করে আসার কথা ছিল শিক্ষাবন্ধুদের। মিছিল শেষ হওয়ার কথা ছিল বিকাশভবনে। কিন্তু সল্টলেকে ঢোকার আগেই তাদের পথ আটকায় পুলিশ। অভিযোগ, মিছিলের কারণে যানজট হয়েছিল রাস্তায়। নিত্যযাত্রীদের অসুবিধা হচ্ছিল। সূত্রের খবর, সেই কারণেই নাকি পুলিশ মিছিল আটকে দেয়। এছাড়া এই মিছিলেরও কোনও অনুমোদন নেওয়া হয়নি বলেও উঠছে অভিযোগ।

[ আরও পড়ুন: ব্রাত্যজীবনে ইতি, অসহায় মাকে সংসারে ফিরিয়ে দায়িত্ব নিল ছেলে ]

কিছুদিন আগেই বেতন বৃদ্ধির দাবিতে সরব হয়েছিলেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। তাঁদের দাবি ছিল, এনসিটিই-র নিয়মানুযায়ী, যোগ্যতার ভিত্তিতে বেতন দিতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষকদের সেই PRT-স্কেলের দাবি পূরণ করতে না পারলেও রাজ্য সরকার সাধ্যমতো বেতন হার ঘোষণা করে। এরপর অনশন প্রত্যাহার করেন তাঁরা। এভাবে একের পর এক বেতন বৃদ্ধির দাবিতে রাজ্য সরকার যে বেশ চাপে পড়ে গিয়েছে, এমনই মনে করছে অভিজ্ঞমহল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.