Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
এনআরসি

এনআরসি ইস্যুতে উত্তপ্ত কলকাতা পুরসভা, বিজেপি কাউন্সিলরকে পালটা ফিরহাদের

মেয়রের সাফ কথা, মমতা সরকার যতদিন আছে, বাংলায় এনআরসি হবে না।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০১৯, ১৭:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০১৯, ১৭:৩৮

options
link
এনআরসি ইস্যুতে উত্তপ্ত কলকাতা পুরসভা,  বিজেপি কাউন্সিলরকে পালটা ফিরহাদের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলায় এনআরসি ইস্যু নিয়ে ফের প্রকাশ্যে তৃণমূল-বিজেপি তরজা। যেখানে তৃণমূলের সঙ্গে শামিল কংগ্রেসও। শুক্রবার বাংলার নাগরিকপঞ্জি প্রসঙ্গ উঠতেই রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পুরসভা। মেয়র ফিরহাদ হাকিম সাফ জানিয়ে দেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারে বাংলায় এনআরসি হবে না।

বারবারই বিজেপির প্রায় সর্বস্তরের নেতা অসমের মতো বাংলাতেও জাতীয় নাগরিকপঞ্জির মাধ্যমে ‘অনুপ্রবেশকারী’দের তাড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছেন। এসবের জেরে আতঙ্কিত আমজনতা। নিজেদের নাগরিকত্ব প্রমাণে যথাযথ নথি জোগাড় করতে না পেরে আত্মহত্যার মতো মর্মান্তিক ঘটনাও ঘটে গিয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। এদিনও পুরসভায় উঠে আসে এনআরসি প্রসঙ্গ। কংগ্রেসের কাউন্সিলর প্রকাশ উপাধ্যায় প্রস্তাব পেশ করে বলেন, বাংলায় এনআরসি হলে অনেকেরই নথি জোগাড় করতে সমস্যায় পড়তে পারেন। সঙ্গে সঙ্গে এর পালটা দেন বিপেজি কাউন্সিলর বিজয় ওঝা। তাঁর মন্তব্য, এরাজ্যে জাতীয় নাগরিকপঞ্জিকরণ হবে কি না, তা সম্পূর্ণ কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত। সরকার যা চাইবে, সেটাই হবে। এখানে রাজ্য সরকারের কিছু বলার থাকবে না।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আশানুরূপ ফল না হলেও রাজ্য দপ্তরের বাইরে ফাটল বাজি, ক্ষুব্ধ বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব]

তাঁর মন্তব্যের পরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সিপিএম, কংগ্রেস এবং তৃণমূল একজোট হয়ে বিজেপি কাউন্সিলরের বিরোধিতা করতে থাকেন। এরপরই ফিরহাদ হাকিম বলেন, “মমতা সরকার যতদিন আছে, বাংলায় এনআরসি করতে দেওয়া হবে না। মুখ্যমন্ত্রী এমনটা কিছুতেই হতে দেবেন না। বিষয়টা হাউসে জানিয়ে দিচ্ছি। এখান থেকে কারও চলে যাওয়ার কোনও ভয় নেই।

গত সোমবার শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের আমন্ত্রণে বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে এনআরসি নিয়ে তোপ দাগেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জোর গলায় বলেন, ‘বাংলা থেকে কাউকে তাড়ানো যাবে না। এনআরসি হতে দেব না। সবাই একসঙ্গে মিলেমিশে থাকব, শান্তিতে থাকব।’ উত্তরবঙ্গের সীমান্ত লাগোয়া জেলাগুলির বাসিন্দাদের অভয় দিয়ে বলেন, ‘অযথা চিন্তা করবেন না। আপনাদের নিজেদের মাটি থেকে কেউ তাড়াতে পারবে না। আমি আপনাদের পাহারাদার।’

[আরও পড়ুন: অনলাইনে আর্থিক প্রতারণার শিকার? আপনার খোয়া যাওয়া টাকা ফেরত দেবে ‘সাইবার সেফ’]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.