১ শ্রাবণ  ১৪২৬  বুধবার ১৭ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে কাটল অচলাবস্থা। দাবি মেনে নেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে কর্মবিরতি প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করলেন চিকিৎসকরা।

রাত ৮টা ৩০ মিনিট: ৭দিন পর কাটল অচলাবস্থা। অবশেষে আন্দোলন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ইতিবাচক বৈঠকের ফলশ্রুতি হিসেবে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছেন চিকিৎসকরা। তবে, তাঁরা জানিয়েছেন, আপাতত তাঁরা সরকারকে সময় দিচ্ছেন তাদের দাবি পূরণের জন্য। সেই সঙ্গে সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, আন্দোলনে পাশে থাকার জন্য।

রাত ৮টা ১৫ মিনিট: আক্রান্ত চিকিৎসক পরিবহ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন, পরিবহ ভাল আছেন।

 

সন্ধে ৭টা ৫০মিনিট: পরিবহকে দেখতে হাসপাতালে আইএনকেতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, এনআরএসে আর কিছুক্ষণ পরেই শুরু জিবি বৈঠক।

সন্ধে ৭টা ৩০ মিনিট: অসুস্থ জুনিয়র ডাক্তার পরিবহকে দেখতে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠক নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ চিকিৎসকদের। এনআরএসে ফিরলেন তাঁরা।

বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট: অপ্রীতিকর কোনও ঘটনা যাতে না ঘটে সেদিকে ব্যবস্থা নিতে হবে। যদি কোনও ঘটনা ঘটে যায়, দ্রুত কাজে যোগ দাও, অনুরোধ মুখ্যমন্ত্রীর। 

বিকেল ৪টে ৫৫ মিনিট:  রোগীকল্যাণ সমিতি সক্রিয় নয়। পরিকাঠামোর উন্নতি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রত্যেক হাসাপাতালে একটি যৌথ কমিটি গঠনের প্রস্তাব চিকিৎসকদের।

বিকেল ৪ টে ৪৫মিনিট: আমরা কেউ চাইনা হাসপাতালে চিকিৎসকদের উপর হামলা হোক।তবু, কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেই যায়। এটা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য, আরও জনসেচতনতা প্রয়োজন। বললেন মুখ্যমন্ত্রী।

বিকেল ৪টে ৪০মিনিট: জুনিয়র ডাক্তার পরিবহর চিকিৎসার সব দায়িত্ব রাজ্য সরকার নিয়েছে। আমরা প্রতি মুহূর্তে ওর খবর রাখছি। আমরা খুব খুশি যে ও সুস্থ হয়ে উঠছে। বৈঠকে বললেন মুখ্যমন্ত্রী।

বিকেল ৪টে ৩৫ মিনিট: আপনার উপর আমাদের আস্থা আছে, আপনি হাসপাতালে গেলে যে কোনও সমস্যার দ্রুত সমাধান হয়। বললেন, জুনিয়র চিকিৎসকদের প্রতিনিধি।

বিকেল ৪টে ২৮ মিনিট: রোগীর পরিবার এবং চিকিৎসকদের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য সরকারি হাসপাতালে জনসংযোগ আধিকারিক নিয়োগের প্রস্তাব মুখ্যমন্ত্রীর।

বিকেল ৪টে ২৩ মিনিট: এক সপ্তাহের মধ্য চিকিৎসকদের সব দাবি মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি মুখ্যমন্ত্রীর।

বিকেল ৪টে ২০ মিনিট: সব হাসতাপালে অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে, জরুরি বিভাগের বাইরে বহিরাগতদের আনাগোণা রুখতে কোলাপসিবল গেট লাগানোর প্রস্তাব মুখ্যমন্ত্রীর। আলাদা নোডাল অফিসার নিয়োগের নির্দেশ দিলেন মমতা।

বিকেল ৪টে ১৫ মিনিট: চিকিৎসকরা ১২ দফা প্রস্তাবপত্র নিয়ে গিয়েছেন নবান্নে। আগের ৬ দফা দাবি ইতিমধ্যেই পূরণ করা হয়েছে। জানালেন, স্বাস্থ্য সচিব রাজীব সিনহা।ডাক্তারদের মারার ঘটনায় পাঁচজন গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠিন ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে, জানালেন স্বাস্থ্য সচিব।

বিকেল ৪টে ১০মিনিট : নিরাপত্তার দাবি জানিয়েও রাজ্যের প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখলেন জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিনিধি। অনিচ্ছ্বা সত্ত্বেও আমরা আন্দোলন করেছি, দীর্ঘদিন অত্যাচারিত হয়েই আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছি, বললেন জুনিয়র চিকিৎসকদের।

বিকেল ৪টে ৫ মিনিট: নবান্নের সভাঘরে প্রবেশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুরু বৈঠক।উপস্থিত ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার, মুখ্য সচিব, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

দুপুর ৩ টে ৪০ মিনিট: নবান্নের সভাকক্ষে চিকিৎসকদের প্রতিনিধিরা, ঢুকলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

দুপুর ৩ টে ৩০ মিনিট: এই মুহূর্তে নবান্নে ৩১ জন জুনিয়র ডাক্তারের প্রতিনিধি দল পৌঁছে গিয়েছেন। দু’জন সিনিয়র ডাক্তারও নবান্নে পৌঁছে গিয়েছেন।

দুপুর ৩ টে ২৫ মিনিট :নবান্নে পৌঁছাল চিকিৎসকদের গাড়ি। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে বৈঠক। জুনিয়র চিকিৎসকদের প্রত্যেকদের হাতে রয়েছে একটি করে দাবিপত্র।


দুপুর ৩ টে ১০ মিনিট:
অবশেষে বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন এনআরএসের চিকিৎসকরা। সরকারের পাঠানো বাসে চেপে নবান্নের উদ্দেশে রওনা দিলেন তাঁরা।

দুপুর ৩ টে: অবশেষে জট কাটার ইঙ্গিত। এনআরএসের চিকিৎসকরা নবান্নে বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা জানালেন।

দুপুর ২টো ৪০ মিনিট: পূর্ব নির্ধারিত ২৮ জনের পাশাপাশি আরও কয়েকজনকে বৈঠকে উপস্থিত থাকার অনুমতি দিয়েছে রাজ্য। এনআরএসএর সামনে সরকারের তরফে একটি বাস পাঠানো হয়েছে। সেই বাসে করেই বৈঠকে যাবেন জুনিয়র চিকিৎসকদের প্রতিনিধিরা।

দুপুর ২ টো ৩০: ফের নমনীয় হলেন মুখ্যমন্ত্রী। লাইভ কভারেজের অনুমতি দিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, সরকার বৈঠকের লাইভ কভারেজের ব্যবস্থা করবে। তবে, সংবাদমাধ্যম তা লাইভ দেখাবে কিনা, তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি সরকার পক্ষ।

দুপুর ২টো ২০মিনিট: জট কাটার ইঙ্গিত মিললেও এখনও কাটল না জটিলতা। বরং নতুন করে পরিস্থিতি আরও ঘোরাল হচ্ছে। লিখিতভাবে লাইভ টেলিকাস্টের অনুমতি না দিলে বৈঠকে তাঁরা যোগ দেবেন না, সাফ জানালেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।

দুপুর ২ টো ১০ মিনিট: এনআরএসে বর্ষীয়ান সংবাদিক মণিদীপা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হেনস্তার অভিযোগ। অন্য সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যও অশ্রাব্য গালিগালাজ করেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।

দুপুর ২ টো: বৈঠকের আর এক ঘণ্টা বাকি। এর মধ্যে নতুন করে জটিলতা। জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি, বৈঠকের লাইভ কভারেজ নিশ্চিত করতে হবে। লাইভ কভারেজের কথা চিঠিতে উল্লেখ নেই।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং