Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঐত্রী মৃত্যুকাণ্ডে নয়া মোড়, পাশ সার্টিফিকেটই ছিল না সিস্টার-ইন-চার্জের!

হাসপাতালের বিরুদ্ধে জাল নথি পেশের অভিযোগ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৮, ১৬:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৮, ১৬:৪৬

options
link
ঐত্রী মৃত্যুকাণ্ডে নয়া মোড়, পাশ সার্টিফিকেটই ছিল না সিস্টার-ইন-চার্জের! zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঐত্রী মৃত্যুকাণ্ডে নয়া মোড়। শুক্রবার স্বাস্থ্য কমিশনে হওয়া তৃতীয় শুনানিতে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যাচ্ছে, যে সিস্টার ইন-চার্জ সেদিন ঐত্রীকে ইঞ্জেকশন দিয়েছিলেন, আসলে তাঁর পাশ সার্টিফিকেটই নেই। ফলে আমরি হাসপাতালের বিরুদ্ধে নথি জাল ও চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ তুলল ঐত্রীর পরিবার।

[পড়ুয়াদের সর্বনাশ করছে ‘চেরি’, গোয়েন্দাদের নজরে ৪৫টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট]

এদিনের শুনানিতে মূলত তিনটি বিষয় সামনে এসেছে। প্রথমত, সেই সময় ঐত্রীর দায়িত্বে থাকা সিস্টার-ইন-চার্জ স্মুতি প্রিয়দর্শনের নথি জাল বলে অভিযোগ। ঐত্রীর মা শম্পা দের দাবি, শুনানি চলাকালীন ওই নার্স নিজেও জানিয়েছেন, তাঁর কাছে কোনও পাশ সার্টিফিকেট ছিল না। অর্থাৎ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষই কমিশন থেকে তাঁকে জাল সার্টিফিকেট দিয়েছে। দ্বিতীয়ত, পরিবারের আরও অভিযোগ, ঐত্রীকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়নি। অথচ পরিবারের কাছ থেকে ভেন্টিলেশনের চার্জ নিয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এই অভিযোগও স্বাস্থ্য কমিশনের শুনানিতে এদিন কার্যত মেনে নিতে বাধ্য হয় আমরি কর্তৃপক্ষ। সেই অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি তোলা হয়েছে। তৃতীয়ত, হাসপাতালের তরফে এদিন মামলা সংক্রান্ত যে হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে আগের বয়ানের অনেক পার্থক্য রয়েছে। আচমকা তাদের বক্তব্যে এমন পরিবর্তন কেন? সে প্রশ্নও তুলেছে পরিবার। ফলে এদিনের শুনানিতে রীতিমতো কোণঠাসা আমরি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আন্দোলনে কিছুটা সুর নরম উপাচার্যের, ৯ জনকে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ]

প্রসঙ্গত, গত ১৭ জানুয়ারি আমরি মুকুন্দপুর হাসপাতালে মৃত্যু হয় ঐত্রীর। হাসপাতালের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখায় পরিবার। তারপরই হাসপাতালের ইউনিট হেড জয়ন্তী চট্টোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমের সামনে দে পরিবারকে শাসানি দেন। এর জেরে তাঁর বিরুদ্ধে পূর্ব যাদবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে পরিবার। চাপে পড়ে অভিযুক্ত ইউনিট হেডকে বরখাস্ত করে আমরি মুকুন্দপুর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সুবিচারের দাবিতে পথে প্রতিবাদে নামে দে পরিবার। সন্তানহারা মায়ের নাছোড় লড়াইয়ে কার্যত পিছু হঠে আমরি কর্তৃপক্ষ। দে পরিবারের কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়ে নেন হাসপাতালের আধিকারিকরা। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা গিয়েছিল, হৃদযন্ত্রের কোনও সমস্যা ছিল না আড়াই বছরের শিশু ঐত্রী দে-র। বরং শরীরে অক্সিজেনের অভাবের ফলে শ্বাসকষ্টজনিত কারণেই মৃত্যু হয়েছিল তার। আগামী বুধবার পরবর্তী শুনানি। সেখানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জাল সার্টিফিকেট প্রসঙ্গে কী প্রমাণ দেয়, তা জানার অপেক্ষায় দে পরিবার।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.