৩০ আশ্বিন  ১৪২৬  শুক্রবার ১৮ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুব্রত বিশ্বাস: জোর কদমে প্ল্যাটফর্ম উঁচু করার কাজ চলছে হাওড়া স্টেশনে৷ ২ এবং ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের সংযোগটিকে বন্ধ করে সেই উঁচু করার কাজ চলছে। ফলে ২ নম্বর স্টেশনটি সংকীর্ণ হয়ে গিয়েছে ট্রেনযাত্রীদের চলাচলের পক্ষে। তার উপর লোকাল ট্রেনে আসা পণ্যের বোঝাতে সেই সংকীর্ণ জায়গাটিতে জট তৈরি হচ্ছে। ফলে কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে যাত্রীদের হাঁটাতলা৷

[সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসায় ‘গাফিলতি’, হাত খোয়ালেন রোগী]

যাত্রীদের অভিযোগ, ডাউনে ট্রেনে আসা যাত্রীরা স্টেশনে নামার পরই আপে লাইনে ট্রেনের ঘোষণা হলে বিপরীতমুখী যাত্রীদের সঙ্গে ধাক্কার সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে ওই সংকীর্ণ জায়গাতে চরম বিপদের মধ্যে পড়ছেন দু’টি ট্রেনের যাত্রীরাই। যাত্রীদের প্ল্যাটফর্ম থেকে বেরোতে আধ ঘণ্টারও বেশি সময় লাগছে বলে তাঁদের অভিযোগ। সোমবার দুপুর পৌঁনে তিনটে নাগাদ অকুস্থলে পৌঁছে দেখা গেল, ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে তখন ডাউন আরামবাগ লোকাল এসে ঢুকেছে। অন্য দিকে আপেও নির্ধারিত ট্রেনের ঘোষণা হয়ে গিয়েছে৷ প্রচণ্ড ভিড়ে যাত্রীদের মুখোমুখি ধাক্কায় কোনও যাত্রীই নড়তে পারছেন না। তার উপর বস্তা বস্তা মালের লটের উপর দিয়ে লাফিয়ে যেতে গিয়ে যাত্রীরা হুড়মুড়িয়ে পড়ছেন একে অপরের ঘাড়ে।

[প্রশ্নফাঁস এড়াতে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত, পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল স্ক্যানার পাঠাল সংসদ]

এদিকে ওই প্ল্যাটফর্মটি উঁচু করার পর মেঝেতে গ্রানাইট দেওয়ায় বিপদ আরও বেড়েছে। যাত্রীদের অভিযোগ, বৃষ্টিতে প্ল্যাটফর্মটির মেঝে ভিজে আরও পিচ্ছিল হয়ে যায়৷ ফলে পিছলে পড়েন অনেকেই। যাত্রীরা আতঙ্কিত হলেও ডিআরএম ইশাক খান জানান, গ্রানাইট তো সৌন্দর্য বাড়াতে ব্যবহার করা হয়। তবে এই বিপত্তির রুখতে তিনি বিশেষ ব্যবস্থা নেবেন। যাত্রীদের আবেদন, যতদিন কাজ চলবে ততদিন বেশি পণ্য যাতায়াতকারী ট্রেনগুলিকে যেন সংশ্লিষ্ট স্টেশনে না আনা হয়। তবে বিপদ কিছুটা হলেও কমবে বলে তাঁদের ধারণা।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং