গোবিন্দ রায়: দত্তপুকুর বিস্ফোরণ (Duttapukur Blast) কাণ্ডে কলকাতা হাই কোর্টে জোড়া জনস্বার্থ মামলা দায়ের। বিজেপি ও সিপিএমের তরফে করা এই মামলায় সিবিআই ও এনআইএ তদন্তের আরজি জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে রাজ্য পুলিশের থেকে অবিলম্বে তদন্তভার হস্তান্তরের আবেদনও করা হয়েছে।
রবিবার সকালে আচমকাই বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে বারাসত (Barasat) লাগোয়া দত্তপুকুর থানার নীলগঞ্জ ফাঁড়ির নীলগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মোছপোল পশ্চিমপাড়া অঞ্চল। প্রায় ধূলিসাৎ হয়ে যায় একটি দোতলা বাড়ি। আশপাশের অন্তত ১০০টি বাড়ির ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্থানীয়দের দাবি, কেরামত এবং সামসুল দু’জনে মিলে বেআইনিভাবে বাজি তৈরি করত। ওই বাজি দোতলা বাড়িতে মজুত করে রাখা হত। তা ফেটেই এমন বীভৎস ঘটনা ঘটেছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় বাজি কারখানা চললেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলেই অভিযোগ। ঘটনায় এনআইএ (NIA) তদন্তের দাবিতে রবিবারই অমিত শাহকে চিঠি লেখেন সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারীরা। বিরোধী দলনেতা দাবি করেন, দত্তপুকুরে আরডিএক্সও পাওয়া গিয়েছে।
[আরও পড়ুন: বিদেশ থেকে স্বামীর পাঠানো টাকা প্রেমিককে দান! চাপে পড়ে অর্থ ফেরতের দাবিতে ধরনায় গৃহবধূ]
সোমবার হাই কোর্টে দায়ের হল মামলা। বিজেপি ও সিপিএমের তরফে দাবি করা হয়েছে, দত্তপুকুর বিস্ফোরণে একেবারেই নিষ্ক্রীয় রাজ্যপুলিশ। সেই কারণেই সিবিআই এবং এনআইএ তদন্ত চেয়ে জনস্বার্থ মামলা করা হয়েছে। আগামিকাল সকাল সাড়ে দশটায় প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে বিস্ফোরণের প্রভাব পড়েছে বিধানসভাতেও। দত্তপুকুর কাণ্ডের প্রতিবাদে এদিন অধিবেশন বয়কট করে বিজেপি। বিধানসভার বাইরে প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা।
[আরও পড়ুন: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রথম গ্রেপ্তার, ধৃত বাজি ব্যবসায়ী শফিক আলম]
সর্বশেষ খবর
-
প্রমাণ লোপাটেও মিলবে না রেহাই! ‘খুনি’ খুঁজতে লালবাজারে আরও ২ ট্র্যাকার কুকুর
-
সাতসকালে ঝাঁটা হাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, নিজেই পরিষ্কার করলেন বাগবাজার গঙ্গার ঘাট
-
নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ, বুধ সন্ধ্যায় কোটায় ছাত্র সম্মেলন রাহুল গান্ধীর, কটাক্ষ বিজেপির
-
মমতার হাত ছেড়েই মন্ত্রিত্বের দৌড়ে শতাব্দী! বিদ্রোহের পুরস্কার?
-
ভাঙনের মরশুমে উঠেই গেল বাইপাসের তৃণমূল কার্যালয়! বাড়ির দখল নিলেন মালিক