Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
নরেন্দ্র মোদি

কলকাতা বন্দরের নাম হল শ্যামাপ্রসাদের নামে, মমতার অনুপস্থিতিতেই ঘোষণা মোদির

উন্নয়নের কাজে বাধা দিচ্ছে রাজ্য, অভিযোগ মোদির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০২০, ১২:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০২০, ১২:৫০

options
link
কলকাতা বন্দরের নাম হল শ্যামাপ্রসাদের নামে, মমতার অনুপস্থিতিতেই ঘোষণা মোদির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৫০ বছরের অনুষ্ঠানের সূচনাতেই বদলে গেল কলকাতা বন্দরের নাম। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতিতেই নতুন নাম ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বন্দরের ১৫০ বছরের অনুষ্ঠানে একই মঞ্চে উপস্থিত থাকার কথা ছিল মোদি ও মমতার। কিন্তু, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও অনুষ্ঠান মঞ্চে পৌঁছাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মমতার অনুপস্থিতিতেই মোদি ঘোষণা করলেন, কলকাতার পোর্ট ট্রাস্টের নতুন নাম হবে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি পোর্ট।

কলকাতা বন্দরের নাম বদলে মোদি বললেন, “বাংলার সুপুত্র শ্যামাপ্রসাদ দেশে বিনিয়োগের সূচনা করেছিলেন। ডিভিসির মতো অনেক বড় প্রকল্পে শ্যামাপ্রসাদের বড়সড় যোগদান ছিল। ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বাংলার শিল্পোদ্যোগের পথিকৃৎ। বাংলার এই সুপুত্রকে উপযুক্ত সম্মান দিতে আজ থেকে কলকাতা বন্দরের নাম আমি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর রাখলাম। শ্যামাপ্রসাদ ও আম্বেদকরের ভাবনাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ভারতের বিশাল সমুদ্রসীমা সাড়ে সাত হাজার কিলোমিটার। যা একটা বিরাট শক্তি। কিন্তু, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং বাবাসাহেব আম্বেদকর সরকার থেকে সরে যাওয়ার পর আর বন্দরের কোনও উন্নতি হয়নি।”

Shyamaprasad Mukherjee
ফাইল ফোটো

[আরও পড়ুন: বেলুড় মঠে CAA’র পক্ষে জোর সওয়াল মোদির, বিঁধলেন বিরোধীদের]

বেশ কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল বিজেপি তাঁদের দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে সম্মান দিতে বাংলার বড় কোনও স্থাপত্য বা জায়গার নাম তাঁর নামে করতে পারে। শিয়ালদহ স্টেশনের নামও বদলে দেওয়া হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু, কলকাতা বন্দরের নাম যে শ্যামাপ্রসাদের নামে হতে পারে তা এতদিন কল্পনা করা যায়নি। একপ্রকার হঠাৎই প্রধানমন্ত্রী বন্দরের নাম বদলে চমকে দিলেন। যদিও, মোদির এই ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয়েছে বিরোধিতা। বাম ও কংগ্রেস সমর্থকরা ইতিমধ্যেই এই ঘোষণার বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.