৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

অর্ণব আইচ: বেহালায় মহিলাকে খুন করে দেহ লোপাটের ঘটনার কিনারা করল পুলিশ৷ তদন্তকারীদের দাবি, স্বামীর অনুপস্থিতিতে জামাই এবং মেয়ে ওই মহিলাকে খুন করেছে৷ প্রথমে অপরাধ আড়াল করার জন্য নানা গল্প ফাঁদে তারা৷ তবে একটানা পুলিশি জেরায় ভেঙে পড়ে ওই মহিলার মেয়ে এবং জামাই৷ মাকে খুনের কথা স্বীকার করে নেয় দু’জনেই৷ এরপরই পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে৷

[আরও পড়ুন: ট্রলি ব্যাগে ভরে মহিলার দেহ লোপাটের চেষ্টা, সন্দেহের তালিকায় স্বামী-মেয়ে-জামাই]

রবিবার সকালে বেহালার বকুলতলার বাসুদেবপুর রোডের ফ্ল্যাটের নিচে পড়ে থাকতে দেখা যায় শম্পা চক্রবর্তী নামে ওই মহিলার দেহ৷ পর্ণশ্রী থানার পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়৷ পুলিশ মৃতার মেয়ে এবং জামাইকে আটক করে৷ মায়ের মৃত্যু কীভাবে হল, তা প্রথমে বুঝতেই পারছিলেন না তার মেয়ে রিয়া এবং জামাই জয়৷ তবে মুহূর্তের মধ্যে পুলিশের হাতে আসে প্রতিবেশীর স্মার্টফোন বন্দি একটি ভিডিও৷ ওই ভিডিওই ঘটনার কিনারায় প্রধান ভূমিকা নেয়৷ ওই ভিডিওতেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে শম্পাকে খুনের পরই লোপাটের জন্য চাদরে জড়ানো দেহ নিচে নিয়ে আসে জয় এবং রিয়া৷ এরপর দেহ এবং তার পাশে ট্রলি ব্যাগ রেখে কোথাও চলে যায় দু’জনে৷

[আরও পড়ুন: দুর্ঘটনাগ্রস্ত জাগুয়ার থেকে উদ্ধার রাঘিবের মোবাইল, কললিস্টে নজর পুলিশের]

ওই ভিডিওর সূত্র ধরেই রিয়া এবং জয়কে জেরা করা হয়৷ তবে তাতেও বেশ কিছুক্ষণ নিজেদের অবস্থানে অনড় ছিল দু’জনেই৷ দীর্ঘক্ষণ পুলিশি জেরায় ভেঙে পড়ে রিয়া, জয়৷ মহিলার জামাই জয় স্বীকার করে নেয় স্ত্রীর সহযোগিতায় শাশুড়িকে খুন করেছে সে৷ কিন্তু কেন খুন করল জয়? জেরায় সে জানায়, শাশুড়ি কম টাকা উপার্জনকারী জামাই জয়কে পছন্দ করত না৷ তাই ক্রমশই শাশুড়ির সঙ্গে মনোমালিন্য হতে থাকে৷ স্ত্রীকে শম্পাদেবীর বাড়িতেও যেতে বারণ করেছিল জয়৷ হয় মা নইলে স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখার জন্য মাঝেমধ্যে রিয়াকে চাপও দিয়েছিল তার স্বামী৷ তবে তাতেও রিয়া তার মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চায়নি৷ শনিবার রাতেও শম্পার সঙ্গে মেয়ে, জামাইয়ের ঝগড়া হয়৷ রিয়ার উপস্থিতিতেই এরপর শাশুড়িকে খুন করে জয়৷ সেই সময় বাড়িতে  তার শ্বশুর ছিলেন না বলেই জানায় ধৃতেরা৷ অভিযুক্ত জয় আরও জানায়, খুনের পর সাইকেলে চড়ে ট্রলি ব্যাগে ভরে দেহ পাচারের ছক ছিল৷ তবে ভোর হয়ে যাওয়ায় দেহ ফেলে রেখে রিয়া, জয় এলাকা ছাড়ে৷ এরপর সকালে প্রতিবেশীরা শম্পার চাদরে চড়ানো দেহ দেখতে পান৷ পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে৷ 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং