Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতি! কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী বিক্ষোভে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি

পে কমিশনের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পুড়ল কুশপুতুল, দেখুন ভিডিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০১৯, ১৮:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০১৯, ১৮:৪৫

options
link
শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতি! কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী বিক্ষোভে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি zoom

দীপঙ্কর মণ্ডল: পে কমিশনের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসে। তবে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে শিক্ষাঙ্গনে শোনা গেল ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান। অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে, রাজ্য সরকারি কর্মীদের আন্দোলনে রাজনৈতিক দলের স্লোগান ওঠায় বিষয়টিকে নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। 

[আরও পড়ুন২৫ বছর পর সুড়ঙ্গে মেট্রোর ট্রায়াল রান, সেক্টর ফাইভ থেকে যাত্রা শুরু জুনেই!]

লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলেই নিজেদের অবস্থান বেশ স্পষ্ট করেছে গেরুয়া শিবির। শুক্রবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনে ফের নিজেদের সাংগঠনিক শক্তির প্রমান দিল বিজেপি। ২০১৫ সালের ২৭ নভেম্বর ষষ্ঠ পে কমিশন গঠন করা হয়েছিল রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো পুনর্গঠনের জন্য। তারপর থেকে বেশ কয়েক বার এই পে কমিশনের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। রবিবার পে কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়। নতুন পে কমিশনের অপেক্ষায় ছিল রাজ্য সরকারি কর্মীরা। কিন্তু সেই আশায় জল ঢেলে সোমবার ফের ৭ মাসের জন্য পে কমিশনের মেয়াদ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করে কমিশন। এরই প্রতিবাদে শুক্রবার বেলা ৩ টে নাগাদ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখান বেশ কিছু সরকারি কর্মী। সেখানে পে কমিশনের চেয়ারম্যান অভিরূপ সরকারের কুশপুতুল দাহ করা হয়। আন্দোলন চলাকালীন ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে থাকেন আন্দোলনকারীরা। দলীয় স্লোগান তুলে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে প্রায় ২ ঘণ্টা বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক স্লোগান কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকেই। 

Advertisement

[আরও পড়ুন:   বিদ্রোহের আঁচ বঙ্গ বিজেপিতে, মণিরুল ইস্যুতে অনুপমের নিশানায় দলের নেতারা]

যদিও ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানের পিছনে কোনও রাজনৈতিক মতাদর্শ রয়েছে, তা মানতে নারাজ আন্দোলনকারীরা। এ প্রসঙ্গে কর্মচারী সংগঠনের সদস্য দেবাশীস শীল, পিন্টু পাড়ুই এবং মন্মথ বিশ্বাস বলেন, “রাম কোনও রাজনৈতিক চরিত্র নয়। রামের কোনও রাজনৈতিক রং নেই। যে কোনও জায়গায় রামকে ডাকা যায়। এর সঙ্গে রাজনীতিকে মিশিয়ে ফেললে তা ভুল হবে।” পাশপাশি তাঁরা বলেন, আগামীতে যে কোনও আন্দোলনে তাঁরা রামের নামেই সরব হবেন। এ প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বিজেপির  রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “জয় শ্রীরাম ধ্বনি তোলায় পবিত্র হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর।”  তবে এ বিষয়ে মুখ খোলেননি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সোনালী চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “এটি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আওতাধীন কোনও বিষয় নয়। তাই এবিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করব না।”    

দেখুন ভিডিও: 

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.