ক্ষীরোদ ভট্টাচার্য: রোগীর অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলে ভর্তির দুদিনের মধ্যে করতে হবে। দ্রুত চিকিৎসা শেষ করে রোগীকে সুস্থ করে বাড়ি পাঠাতে হবে। সপ্তাহের পর সপ্তাহ হাসপাতালের শয্যা একটি রোগীর জন্য আটকে রাখা যাবে না। আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (R G Kar Medical College and Hospital) শয্যা সংকট কাটাতে এমনই সিদ্ধান্ত হয়েছে রোগী কল্যাণ সমিতির বৈঠকে।
সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরই উত্তর শহরতলি ও উত্তর কলকাতার একমাত্র অত্যাধুনিক সরকারি হাসপাতাল বলতে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। স্বাভাবিকভাবেই রোগীর চাপ মারাত্মক। বিশেষ করে অর্থোপেডিক, স্নায়ু এবং প্লাস্টিক সার্জারি চিকিৎসার জন্য অস্বাভাবিক ভিড় হয়। কিন্তু আর জি কর হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ সমীক্ষা বলছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই তিন বিভাগের রোগীকে ভর্তির পর দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয়। অস্ত্রোপচারের ডেট পেতে রীতিমতো নাজেহাল হতে হয়।
[আরও পড়ুন: বাড়িতে এসে পড়ানোর নামে নাবালিকাকে লাগাতার ‘ধর্ষণ’! গ্রেপ্তার গৃহশিক্ষক]
এদিন রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান ডা.সুদীপ্ত রায় তিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক এবং ইউনিট প্রধানদের নিয়ে আলোচনায় বসে এই উপায় বাতলে দেন। পরে সুদীপ্তবাবু বলেছেন, “এমনভাবে রোগীকে ভর্তি করতে হবে যাতে দু’দিনের মধ্যে অস্ত্রোপচার করা হয়। দ্রুত চিকিৎসা করে সুস্থ করে তাঁকে প্রয়োজনে বাড়ি পাঠাতে হবে। অযথা সরকারি হাসপাতালের শয্যা আটকে রাখা যাবে না।” হাসপাতাল সূত্রে খবর, তবে রোগী যতক্ষণ সুস্থ না হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত হাসপাতালে অবশ্যই রাখতে হবে। কারণ এখনই হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব নয়। আবার রোগী রেফার করাও সম্ভব নয়। তাই এই দাওয়াই।
[আরও পড়ুন: চাহিদা এক কোটি, কালীপুজোয় সেঞ্চুরি পার জবার মালা]
সর্বশেষ খবর
-
পরপর ট্রান্সফরমার বিকল! লিফট বন্ধ-জলের আকাল, বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জেরবার দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা
-
লক্ষ্য সম্পর্ক দৃঢ় করা, স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে পাঁচ রাজ্যের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণের সিদ্ধান্ত
-
পানমশলা আর বিক্রি করা যাবে না প্লাস্টিকের প্যাকেটে, নয়া ব্যবহারবিধি কেন্দ্রের
-
রাজ্যে শিল্প আনতে বন্ধ হোক লাল ফিতের ফাঁস, তোলাবাজি! বণিকমহলের মতামত শুনলেন মন্ত্রীরা
-
৯ বছরের একত্রবাস, অবশেষে জর্জিনার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ রোনাল্ডো