স্টাফ রিপোর্টার: টালা ব্রিজ ভেঙে ফেললে তার বিকল্প রাস্তা কী? তার খোঁজে শনিবার সকালে ব্রিজ চত্বর পরিদর্শনে গেলেন সরকারি আধিকারিকরা। ছিলেন রেলের আধিকারিকরাও। দু’পক্ষের আলোচনায় প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে, কাশীপুর রোড সংলগ্ন জগন্নাথ টেম্পল রোডকে বিকল্প রাস্তা হিসাবে ব্যবহার করা হতে পারে। তবে উভয় পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।
জরাজীর্ণ, বিপদসংকুল টালা ব্রিজ ভেঙে ফেলতেই হবে। এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে শুক্রবারই। জানুয়ারি মাস থেকে ভাঙার কাজ শুরু হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন, এক বছরের মধ্যে পুরনো ব্রিজ ভেঙে নতুন ব্রিজ তৈরি করতে হবে। কিন্তু এই এক বছরে ওই চত্বরে ট্রাফিকের কী অবস্থা হবে? কোন বিকল্প পথে উত্তর শহরতলি থেকে শহরে ঢুকবে গাড়ি? তার খোঁজেই এদিন সকালে টালা চত্বরে যান রেল ও রাজ্যের আধিকারিকরা। পূর্ত, কেএমডিএ-র আধিকারিকদের সঙ্গে ছিলেন পুলিশ অফিসাররাও। যেহেতু ব্রিজের মাঝের অংশ রেলের জমির উপর, সে কারণেই যৌথভাবে এই ব্রিজ তৈরি করবে রেল ও রাজ্য।
[আরও পড়ুন: রবীন্দ্র সরোবরে অবাধে চলল ছট পুজো, বাইরে ‘নীরব’ পুলিশ]
রাজ্য ও রেল একসঙ্গে নতুন ব্রিজের নকশা তৈরি করবে। তার সঙ্গে হবে বিকল্প রাস্তায় যান চলাচলের ব্যবস্থা। এর মধ্যে টালার মূল রাস্তায় বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার জন্য সব বাসেরই রুট ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়তি খরচের ভার বহন করতে না পেরে ইতিমধ্যে বাস চালানো বন্ধ করে দিয়েছেন দু,একটি রুটের মালিকরা। রাজ্যের তরফে এই পরিস্থিতিতে রেলকে অনুরোধ করায়, তারা বাড়তি মেট্রো চালাবে বলে জানিয়েছে। তার মধ্যেই নতুন রাস্তার খোঁজ। এই রাস্তায় মূলত ভারী পণ্যবাহী গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা হবে। যাকে তৈরি করা হবে ‘লরি করিডর’ হিসাবে।
টালা ব্রিজ অচল হয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাশীপুর রোডের পুরনো কাশীপুর ব্রিজের উপর চাপ বাড়ে। বাগবাজার কাশীপুর সংযোগকারী এই ব্রিজের পাশের জগন্নাথ টেম্পল রোড এদিন খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। কাশীপুর ব্রিজের অবস্থাও খারাপ। সেখানে ইতিমধ্যে হাইটবার বসানো হয়েছে। ভারী পণ্য পরিবহণকারী গাড়ি চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। এদিন ঠিক হয়েছে, গাড়ি চলাচলের জন্য এই জগন্নাথ টেম্পল রোড ব্যবহার করা হবে। পণ্যবাহী ট্রাক, বাস সেই পথে যেতে পারবে কি না, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে পরে। আগামিদিনে নবান্নে রিপোর্ট জমা পড়লে, তা খতিয়ে দেখে নিত্য বাস চলাচলের জন্য এই রাস্তা চালু করে দেওয়া হতে পারে। টালা ব্রিজে গাড়ি চলাচল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত হয় পুজোর আগেই। হালকা ছোট গাড়ি চলছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ব্রিজ পুরোপুরি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
[আরও পড়ুন: সল্টলেকে মশার উৎপাতে বিরক্ত সোনু নিগম, অনুষ্ঠানের মাঝেই থামালেন গান]
সর্বশেষ খবর
-
রাজ্যে হবে ‘বনতারা’! শিল্প সম্ভাবনা উসকে মুম্বইয়ে আম্বানির সঙ্গে বৈঠক করলেন শুভেন্দু
-
বদলে যাবে উত্তরের পর্যটন, উদ্বোধনের আগেই ভাইরাল মূর্তি নদীর উপর তৈরি নয়া ব্রিজ
-
ইস্ট-মোহন ভক্তদের জন্য সুখবর, এবার খুব সহজেই বিনামূল্যে দেখা যাবে আইএসএল
-
দিল্লিতে পুলিশ সেজে নাবালিকাকে গণধর্ষণ! ইসকনের মন্দিরে পুজো দিয়ে বেরতেই বন্ধুকে আটকে রেখে চলল নির্যাতন
-
ব্রিটিশদের তাড়া খেয়ে উৎখাত গোটা গ্রাম, অটল একমাত্র কুলদেবী! ৩৫০ বছরের ইতিহাসের সাক্ষী দুর্গাপুরের এই পুজো