Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Rajnath Singh

জলপথেই ভারতের পুনরুত্থান, কলকাতায় ‘সাগর সংকল্প’ মঞ্চে আত্মনির্ভরতার ডাক প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর

ভারতের রণতরী নির্মাণ শিল্পে এক নতুন ভোরের ডাক দিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। শুক্রবার কলকাতায় আয়োজিত ‘সাগর সংকল্প’ কনক্লেভে তিনি স্পষ্ট জানালেন, সমুদ্রপথই ভারতের কৌশলগত এবং অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের প্রধান আধার। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (জিআরএসই) এবং ‘দ্য উইক’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে রাজনাথ সিং ভারতের সামুদ্রিক গৌরব পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার করেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২৬, ২০:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২৬, ২০:৪৬

options
link
জলপথেই ভারতের পুনরুত্থান, কলকাতায় ‘সাগর সংকল্প’ মঞ্চে আত্মনির্ভরতার ডাক প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর zoom
শুক্রবার কলকাতায় আয়োজিত ‘সাগর সংকল্প’ কনক্লেভে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং।

ভারতের রণতরী নির্মাণ শিল্পে এক নতুন ভোরের ডাক দিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। শুক্রবার কলকাতায় আয়োজিত ‘সাগর সংকল্প’ কনক্লেভে তিনি স্পষ্ট জানালেন, সমুদ্রপথই ভারতের কৌশলগত এবং অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের প্রধান আধার। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (জিআরএসই) এবং ‘দ্য উইক’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে রাজনাথ সিং ভারতের সামুদ্রিক গৌরব পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার করেন।

এদিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন, ভারতের সামুদ্রিক ক্ষেত্র কেবল বাণিজ্য বা নিরাপত্তার বিষয় নয়। এটি জাতীয় পুনরুত্থানের প্রতীক। তাঁর মতে, শক্তিশালী নৌবাহিনী এবং মজবুত জাহাজ নির্মাণ শিল্পই হবে আত্মনির্ভর ভারতের মূল স্তম্ভ। কেন্দ্রীয় সরকারের ‘আত্মনির্ভর ভারত’ নীতির সাফল্যের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, ভারতের প্রতিরক্ষা সংস্কার এখন দৃশ্যমান ফল দিতে শুরু করেছে। দেশীয় নকশা এবং প্রযুক্তিতে তৈরি আধুনিক যুদ্ধজাহাজগুলি বিশ্বমঞ্চে ভারতের কারিগরি দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে।

Advertisement

কলকাতা এবং জিআরএসই-র ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথা মনে করিয়ে দিয়ে রাজনাথ সিং বলেন, ঊনবিংশ শতাব্দীতে একটি নদীর ধারের ছোট কর্মশালা থেকে শুরু করে আজ জিআরএসই দেশের অন্যতম প্রধান শিপইয়ার্ডে পরিণত হয়েছে। ফ্রিগেট, কর্ভেট থেকে শুরু করে অ্যান্টি-সাবমেরিন যুদ্ধজাহাজ তৈরিতে এই সংস্থার ভূমিকা অনস্বীকার্য। বন্ধুপ্রতীম দেশগুলিতে যুদ্ধজাহাজ রপ্তানি করে জিআরএসই ভারতের প্রতিরক্ষা কূটনীতিকেও শক্তিশালী করেছে। এদিন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জিআরএসই-র সিএমডি কমোডোর পি আর হরি (অবসরপ্রাপ্ত), ভারত ফোর্জের সিএমডি বাবা কল্যাণী সহ নৌবাহিনীর একাধিক উচ্চপদস্থ কর্তা।

জিআরএসই-র সিএমডি কমোডোর পি আর হরি বলেন, ১৯৬১ সালে ভারতের প্রথম দেশীয় যুদ্ধজাহাজ আইএনএস অজয় তৈরি করেছিল এই জিআরএসই। মাত্র ৩৫ মিটারের সেই জাহাজ থেকে আজ আমরা অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ তৈরির স্তরে পৌঁছেছি। তিনি জানান, চলতি বছরই অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র সজ্জিত নতুন ‘আইএনএস অজয়’ ভারতীয় নৌবাহিনীকে তুলে দেওয়া হবে। যা আদতে ‘বায়ার্স নেভি’ থেকে ‘বিল্ডার্স নেভি’ হয়ে ওঠার সফল রূপান্তর।

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রাজনাথ সিং জানান, আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাইবার এবং চালকবিহীন যুদ্ধপ্রযুক্তিতে ভারতকে আরও উদ্ভাবনী হতে হবে। স্টার্ট-আপ এবং এমএসএমই সেক্টরকে এই বিপ্লবে সামিল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর কথায়, সমুদ্র ভারতের শক্তির উৎস ছিল এবং থাকবে। সেই ঐতিহ্যকে সম্বল করেই বিশ্বসেরা সামুদ্রিক শক্তি হওয়ার লক্ষ্যে এগোচ্ছে দেশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.