Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
রিজেন্ট পার্ক

চকলেট বোমের বারুদ বন্দুকে ভরে প্রেমিকাকে খুন! রিজেন্ট পার্ক কাণ্ডে ফের প্রকাশ্যে নয়া তথ্য

স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে বাড়িতে বসে ইউটিউব দেখে বন্দুক বানিয়েছিল জয়ন্ত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২০, ১১:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২০, ১১:৫৬

options
link
চকলেট বোমের বারুদ বন্দুকে ভরে প্রেমিকাকে খুন! রিজেন্ট পার্ক কাণ্ডে ফের প্রকাশ্যে নয়া তথ্য zoom

অর্ণব আইচ: খুনেও ব্যবহার চকলেট বোমা। চকলেট বোমার মশলা বারুদ হিসাবে ব্যবহার করেই প্রেমিকাকে খুন করে রাকেশ হালদার ওরফে জয়ন্ত। রিজেন্ট পার্কের (Regent Park) আনন্দপল্লিতে কলেজছাত্রী প্রিয়াঙ্কা পুরকায়েতের খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জয়ন্তকে জেরায় উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। এদিকে, ময়নাতদন্তের পর পুলিশ নিশ্চিত যে, মৃত ওই তরুণীর দেহ থেকে পাওয়া গিয়েছে বল বিয়ারিং। এই বল বিয়ারিংই বুলেট হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। রবিবার জয়ন্তকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হলে তাকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। তাকে দিয়ে পুলিশ ঘটনার পুনর্নির্মাণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শী প্রিয়াঙ্কার পিসি আদালতে গোপন জবানবন্দি দিতে পারেন। এদিকে আজ, সোমবারই জয়ন্তর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী কাজল হালদারের হাসপাতালে ভরতি হওয়ার কথা। এই অবস্থায় তিনি জানিয়েছেন, যদি তাঁর স্বামী কোনও দোষ করে থাকেন, তবে যেন তিনি শাস্তি পান। যদিও পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে খুনের জন্য জয়ন্তর কোনও অনুতাপ নেই। থানায় বসে তরকা-রুটি খেয়ে আরামে ঘুমিয়েছে সে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বিনামূল্যে করোনা পরীক্ষার ই-মেল পেয়েছেন? সাবধান! হতে পারে বড় বিপদ]

প্রেমিকাকে খুনের ছক যাতে ফাঁস না হয় তার জন্য জয়ন্ত কোনও সাক্ষী রাখতে চায়নি। তাই কেনেনি বা ভাড়া নেয়নি আগ্নেয়াস্ত্র। ইন্টারনেট দেখে নিজেই পাইপগান তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়। গত এক মাস ধরে বাড়িতে বসেই জয়ন্ত এই পাইপগান তৈরি করছিল। দিনের বেলা যখন তার স্ত্রী মায়ের কাছে চলে যেতেন, তখনই ইন্টারনেট দেখে কাজ করত। স্টিলের রড, ওয়াশার, নাট-বল্টু, স্প্রিং আর গুলি হিসাবে সাইকেলের বল-বিয়ারিং জোগাড় করে। কয়েকটি চকোলেট বোমা কিনে বল-বিয়ারিংয়ের সঙ্গে ঠেঁসে দেয় সেই বারুদ।

গাড়ির চালক হওয়ার সুবাদে ড্রিলিং মেশিন, ঝালাইয়ের ব্যবস্থা ছিল তার কাছে। প্রিয়াঙ্কার ঘরে ঢুকে তাঁকে লক্ষ্য করে ধাক্কা দেয় পাইপগানের পিছনে লাগানো নাট বল্টুতে। স্টিলের রড দিয়ে বল-বিয়ারিং বেরিয়ে ছিটকে লাগে তরুণীর ঘাড়ে। এরপর দশবার ছুরি দিয়ে তরুণীকে আঘাত করে জয়ন্ত। প্রিয়াঙ্কা যখন সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী, তখন তাঁকে জয়ন্ত প্রেমের প্রস্তাব দেয়। বাড়িতে এসে প্রিয়াঙ্কা তা বলে দেন। অভিভাবকরা রাগারাগি করেন। সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। কয়েক বছর পর ফের জয়ন্ত তাঁকে প্রস্তাব দেয়। দু’জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও প্রতিবেশী কাজলকে বিয়ে করে জয়ন্ত।

[আরও পড়ুন: আমফানে ‘মৃত’ অশ্বত্থে প্রাণ প্রতিষ্ঠা, সৌজন্যে কলকাতার ESI হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীরা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.