Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
RG Kar Case

আর জি কর মামলায় ‘গা ছাড়া মনোভাবে’ সিবিআইকে ভর্ৎসনা হাই কোর্টের, সিআইডি তদন্তের আর্জি পরিবারের

শুক্রবার আর জি কর মামলায় হাই কোর্টে রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সিবিআই তিন সদস্যের সিট গঠন করেছে।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৬, ১৮:৫৩

link
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৬, ১৮:৫৩

options
link
আর জি কর মামলায় ‘গা ছাড়া মনোভাবে’ সিবিআইকে ভর্ৎসনা হাই কোর্টের, সিআইডি তদন্তের আর্জি পরিবারের zoom
আর জি কর মামলায় সিবিআইকে ভর্ৎসনা হাই কোর্টের
Advertisement

আর জি কর মামলায় (RG Kar Case) ফের সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে উঠল প্রশ্ন। কলকাতা হাই কোর্টে তোপের মুখে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই ‘গা ছাড়া মনোভাব’ নিয়ে কাজ করছে বলেই ভর্ৎসনা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের। ঘটনার তদন্তভার সিআইডিকে দেওয়ার আর্জি নির্যাতিতার মা ও বাবার। আগামী ৬ আগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানি।

শুক্রবার আর জি কর মামলায় হাই কোর্টে রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সিবিআই তিন সদস্যের সিট গঠন করেছে। সিবিআইকে বিচারপতি শম্পা সরকারের প্রশ্ন, “সিবিআই তদন্তে হস্তান্তরে দেরি, তথ্যপ্রমাণ বিনষ্ট করার জন্য কারা দায়ী? কারণ এটাও তো একটা অপরাধ। পরিবারের কি অভিযোগ আছে? কেউ অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করছে সেটাও তো সিবিআইকে খুঁজে বের করতে হবে। আপনারা (সিবিআই) বলছেন যে মায়ের বক্তব্য নিয়েছেন। সেটা কোথায়? আমাদের নির্দেশের মানেই ছিল যে সিবিআইয়ের আগের তদন্তকারী অফিসারদের থেকে মামলা সরিয়ে নতুন গঠিত সিটকে দেওয়া সেটাই আপনারা বুঝতে পারছেন না? আপনারা আপনাদের সহকর্মীদের প্রতি এত সহানুভূতিশীল? আমরা সিবিআইয়ের আধিকারিকদের প্রতি আস্থা রাখছি, আশা করছি তারা সঠিক তদন্ত করবে।”

Advertisement

বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষও উষ্মাপ্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “চার্জশিট দাখিল করার পর ১ বছর ৭ মাস কেটে গিয়েছে। এই মামলায় সিবিআই গা ছাড়া মনোভাব দেখাচ্ছে। হয় রাজ্য বলুক যে তারা ন্যায়বিচার দিয়ে ব্যর্থ, আর নাহয় বলুক যে তথ্য প্রমাণ নষ্টের জন্য কেউ দায়ী নয়। চার্জশিট দাখিলের পর ১ বছর ৭ মাস কেটে গিয়েছে। তদন্ত কবে শেষ হবে? তাহলে এই মামলা আমরা সিবিআইয়ের হাত থেকে নিয়ে নিচ্ছি। আর নির্দেশ নামায় এটাও লিখব যে সিবিআইয়ের আধিকারিকরা হাইকোর্টের ঊর্ধ্বে, তারা আদালতের নির্দেশ বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে, তারা উপযুক্ত তদন্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে।” সিবিআইয়ের সওয়াল, “আমরা একাধিকবার সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখেছি, পরিবারের সব বক্তব্য শুনে উত্তর দিয়েছে। আমরা বক্তব্য লিখে রেখেছি।” পরিবারের তরফে সিআইডি তদন্তের পক্ষে সওয়াল করা হয়েছে। উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালতের নির্দেশ পুরনো কোনও তদন্তকারী আধিকারিক নবগঠিত সিটে থাকবেন না। নবগঠিত সিটকে তদন্তের জন্য আরও কিছুটা সময় দিল হাই কোর্ট। পরবর্তী শুনানি আগামী ৬ আগস্ট।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.