অবশেষে আদালতে আত্মসমর্পণ আখতার আলির। আজ, মঙ্গলবার আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালতে তিনি হাজির হয়েছিলেন। জামিনের আবেদনও করা হয়। কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠিয়েছে। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আখতার আলিকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। আখতার আলি মামলা দীর্ঘতর করছেন। আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তিনি হাজিরা না দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। আদালতে এদিন সেই দাবি করেছেন আর জি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্ত। সিবিআইয়ের তরফেও এদিন আদালতে আখতার আলির জামিনের বিরোধিতা করা হয়েছিল।
আর জি কর মামলায় দুর্নীতির ক্ষেত্রে নাম জড়িয়ে গিয়েছিল ওই হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলির। শুধু তাই নয়, আর্থিক বেনিয়ম মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করেছে আদালত। এদিকে আদালতে আত্মসমর্পণ করছিলেন না আখতার। তিনি অসুস্থ বলেও শোনা গিয়েছিল। এই অবস্থায় শনিবার বিশেষ সিবিআই আদালতে হাজির হয়েছিলেন আখতার আলি। তবে ছুটির দিন থাকায় বিচারক উপস্থিত ছিলেন না। আদালত থেকে ফিরে যেতে হয়েছিল তাঁকে। সোমবার কি আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করবেন আখতার আলি? সেই চর্চা চলে। দেখা যায়, গতকাল, তিনি আদালতে হাজির হননি। তাহলে কি ফের তিনই অজ্ঞাতবাসে চলে গেলেন? সেই প্রশ্ন ওঠে।
আরও পড়ুন:
আজ, মঙ্গলবার আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালতে হাজির হয়েছিলেন আখতার আলি। আত্মসমর্পণ করেন তিনি। অসুস্থতার কথাও আদালতে জানানো হয়েছিল। মেডিক্যাল গ্রাউন্ডে জামিনের আবেদন করেন আখতার আলির আইনজীবী। এদিকে দুর্নীতির একই অভিযোগে সন্দীপ ঘোষ আদালতের নির্দেশে জেলে রয়েছেন। তাহলে কেন আখতার আলি বাইরে থাকবেন ? সেই প্রশ্ন তোলেন সন্দীপ ঘোষের আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্ত। শুনানির পর আদালত কক্ষ থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন আখতার। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “কোর্টের অর্ডারের জন্য ওয়েট করছি। আবেদন করেছি জামিনের জন্য। আমি অসুস্থ ছিলাম। কাগজ দিয়েছি।” আখতার আরও বলেন, “আদালতের রায় যা হবে মানতে হবে, তদন্ত চলছে। কালকে খুব বেশি ব্যথা হচ্ছিল। তাই উঠতে পারছিলাম না।”
যদিও জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেননি বিচারক। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আখতার আলিকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ আদালতের। দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে আখতার আলির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, স্ত্রীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও ঢুকেছে ওই টাকা। নথি জাল করেছেন আখতার, বেশি দাম বলে জিনিস কিনেছে! স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষে অভিযোগ ছিল, ২০২০ সাল থেকে দু’বছরের মধ্যে আখতার আলির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২ লক্ষ ৩৯ হাজার টাকা ও তাঁর স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে ৫০ হাজার টাকা ঢুকেছে। বিমানের টিকিট বাবদ ১.৪৯ লক্ষ টাকা পেয়েছেন আখতার! এই টাকার ব্যাপারে আখতার সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
চিকেন নয়, দিল্লির বাঙালি পাড়ায় দেদার বিকোচ্ছে ‘ইস্কুস মোমো’, কেন ফেভারিট ভোজনরসিকদের?
-
‘লড়াই আমার রক্তে’, মিক্সড মার্শাল আর্টে এশিয়াডে নামছেন প্রধানমন্ত্রীর বাঙালি উপদেষ্টার ছেলে
-
বদলে যাচ্ছে চেনা বিশ্ব মানচিত্র! আফ্রিকা হবে বড়, ছোট হচ্ছে উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপ
-
ভিডিও ভাইরাল হতেই উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেপ্তার ‘হিন্দু বীর’ স্বতন্ত্র, এসসি-এসটি ধারায় মামলা
-
‘জ্ঞান না দিয়ে…’ সিপিএমের একমাত্র বিধায়কের নিশানায় দলেরই ‘ফেসবুক বিপ্লবী’রা