Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Debjani Mukherjee

১০ বছর পর প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন সারদাকাণ্ডে অভিযুক্ত দেবযানী মুখোপাধ্যায়!

আপাতত দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে রয়েছেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০২৩, ১৫:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০২৩, ১৫:২৭

options
link
১০ বছর পর প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন সারদাকাণ্ডে অভিযুক্ত দেবযানী মুখোপাধ্যায়! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১০ বছর বাদে কয়েক ঘণ্টার জন্য হলেও জেল থেকে মুক্তির স্বাদ পেতে চলেছেন সারদাকাণ্ডে (Saradha Scam) অভিযুক্ত দেবযানী মুখোপাধ্যায়। আগামী ৫ জুন ৪ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন তিনি। অসুস্থ মাকে দেখতে যাওয়ার জন্য জেল কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন দেবযানী। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়েছে।

জানা গিয়েছে, কয়েকদিন ধরেই দেবযানীর মা গুরুতর অসুস্থ। সেকথা জানিয়েই প্যারোলে বাড়ি যাওয়ার জন্য আবেদন জানান দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের (Debjani Mukherjee) আইনজীবী। দেবযানীর আইনজীবীর কথায়, “বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা গিয়েছে দেবযানীর মায়ের। তাই প্যারোলে একবার মাকে দেখতে যাওয়ার জন্য তিনি আবেদন করেন।” সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে জেল কর্তৃপক্ষ। আগামী ৫ জুন চার ঘণ্টার জন্য বাড়ি যাবেন তিনি। জেল কর্তৃপক্ষের তরফে লালবাজারে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার জন্য চিঠিও দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলা: ‘তদন্ত ভুল পথে চালিত করছে ইডি’, বিস্ফোরক কুন্তল ঘোষ]

সারদা মামলায় ২০১৩ সালের ২২ এপ্রিল কাশ্মীর থেকে কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন এবং তাঁর ছায়াসঙ্গী দেবযানী মুখোপাধ্যায়। পরের বছর অর্থাৎ ২০১৪ সালে সারদা টুর অ্যান্ড ট্রাভেলস মামলায় অভিযুক্ত হন দেবযানী। গত ১০ বছরে একাধিকবার জামিনের আবেদন করলেও, জামিন মেলেনি। তিনি রাজ্যের সমস্ত মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়েও আবেদন করেছিলেন। সেই মামলা এখনও আদালতে বিচারাধীন।

[আরও পড়ুন: এবার বিকল হাওড়া-জলপাইগুড়ি বন্দে ভারতের এসি! ক্ষোভে ফেটে পড়ল যাত্রীরা]

বর্তমানে দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে (Dumdum Central Jail) রয়েছেন দেবযানী মুখোপাধ্যায়। দমদম সেন্ট্রাল জেলে নার্সের কাজ করেন দেবযানী। বন্দিদের ডায়েট, কোনও বন্দির চোট লাগলে দ্রুত ব্যান্ডেজ বেঁধে দেওয়া, ওষুধ দেওয়ার মতো নার্সিংয়ের কাজ করেন তিনি। সঙ্গে ইংরাজিও পড়ান। জেলে ভাল আচরণের জন্য এর আগে কর্তৃপক্ষের প্রশংসাও জুটেছে। সেই ভাল আচরণও প্যারোলের অনুমতি পাওয়ার কারণ হতে পারে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.