Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
SIR in West Bengal

SIR-এর নথি নিয়ে নতুন নির্দেশিকা কমিশনের, স্ক্রুটিনি পর্বে ভুল থাকলে ফের তালিকা যাবে জেলাস্তরে

নতুন এই নির্দেশিকার পর কমিশন ও বিজেপিকে এক সূত্রে বেঁধে তোপ দেগেছে তৃণমূল। সামাজিক মাধ্যমে পোস্টে তারা লিখেছে, বিজেপি-নির্বাচন কমিশন যে এক হয়ে কাজ করেছে, তার আরও একটা প্রমাণ সামনে এল! দেশের অন্য রাজ্যে এক নিয়ম আর বাংলার বেলায় অন্য নিয়ম কেন হবে? সেই নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল।

Advertisement
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৭:৪৩

link
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৭:৪৩

options
link
SIR-এর নথি নিয়ে নতুন নির্দেশিকা কমিশনের, স্ক্রুটিনি পর্বে ভুল থাকলে ফের তালিকা যাবে জেলাস্তরে zoom

এসআইআরের (SIR in West Bengal) চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি। তার আগে এখন চলছে স্ক্রুটিনি পর্ব। এই প্রক্রিয়ায় কোনও ভোটারের নথিতে অসঙ্গতি থাকলে তা ফেরত পাঠানো হবে জেলা শাসকদের কাছে। কমিশন সূত্রে খবর, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অনুমোদিত ১৩টি নথির বাইরে একটি নথিও গ্রহণযোগ্য নয় বলে ফের জানানো হয়েছে। এদিকে নতুন নির্দেশিকা জারি করে কমিশন জানিয়েছে, ইন্দিরা আবাস যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা বা বাংলার বাড়ি প্রকল্পের শংসাপত্রও গ্রহণ করা হবে না।

নতুন এই নির্দেশিকার পর কমিশন ও বিজেপিকে এক সূত্রে বেঁধে তোপ দেগেছে তৃণমূল। সামাজিক মাধ্যমে পোস্টে তারা লিখেছে, বিজেপি-নির্বাচন কমিশন যে এক হয়ে কাজ করেছে, তার আরও একটা প্রমাণ সামনে এল! SIR প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা, ইন্দিরা আবাস যোজনা কিংবা বাংলার বাড়ি প্রকল্পের আর্থিক সহায়তার অনুমোদনপত্র গ্রাহ্য হবে না বলে জানিয়ে দিল কমিশন। গত ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ যখন এসব প্রকল্পের নথি গ্রহণযোগ্য কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল, তখনই কি কমিশন স্পষ্ট অবস্থান জানাতে পারত না? প্রায় এক মাস ধরে কি নাটক করছিল তারা? এরা কি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশও মানবে না?’

Advertisement

বহু আবেদনকারী এই সকল প্রকল্পের উপভোক্তা হিসেবে পাওয়া কার্ড বা অনুমোদনপত্র জমা দিয়েছেন। এখন তাঁদের ভবিষ্যৎ কী? সেই প্রশ্নও তুলেছে তৃণমূল। কমিশনের জবাব দাবি করে তাদের বক্তব্য, ‘দেশের অন্য রাজ্যে এক নিয়ম আর বাংলার বেলায় অন্য নিয়ম কেন হবে? জবাব দিক কমিশন।’

বহু আবেদনকারী এই সকল প্রকল্পের উপভোক্তা হিসেবে পাওয়া কার্ড বা অনুমোদনপত্র জমা দিয়েছেন। এখন তাঁদের ভবিষ্যৎ কী? সেই প্রশ্নও তুলেছে তৃণমূল।

কমিশন সূত্রে আরও খবর, জেলা শাসকরা বিধানসভা ভিত্তিক ভোটারদের শুনানির তথ্য আপলোড করেছেন। সেই তালিকা খতিয়ে দেখছে রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী দপ্তর। সেই স্ক্রুটিনিতে উঠে আসছে, পেপারের কাটিং থেকে প্যান কার্ড ও আরও অনেক নথি আপলোড করা হয়েছে, যেগুলি কমিশনের দেওয়া ১৩টি নথির মধ্যে পড়ছে না। এমনকী ডোমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়ে শর্ত আরোপ করা হয়েছে।

কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, ১৯৯৯ সালের রাজ্যের নির্দেশিকা অনুযায়ী যে, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে যেখানে জেলাশাসক বা মহকুমা শাসকের সই রয়েছে সেইগুলিই গ্রাহ্য করা হবে। ওই নির্দেশিকায় কী রয়েছে? সেই সময় নির্দেশিকা ছিল, ১৫ বছর বা তার বেশি সময় ধরে বাংলায় বসবাসকারী অবাঙালি সেনা বা আধা সেনায় কর্মরতদের সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।

এবার প্রশ্ন, ফেরতের তালিকায় যে ভোটারদের নাম থাকবে তাঁদের কী ফের ডাকা হবে শুনানিতে? কমিশন সূত্রের খবর, সেই সম্ভাবনা কম। কারণ শুনানি প্রক্রিয়া শেষ। নতুন করে শুনানি করা নিয়ম বিরুদ্ধ হতে পারে। সেক্ষেত্রে ওই ভোটারদের কী হবে? চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ যেতে পারে সেই ভোটারের নাম। নাম তুলতে কী করণীয়, সেক্ষেত্রে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের ৫ দিনের মধ্যে ভোটারকে জেলা শাসকের কাছে আবেদন করতে হবে। সেই শুনানিতে নাম বাদ গেলে পরবর্তী পাঁচ দিনের মধ্যে সিইও দপ্তরে আবেদন করতে পারবেন ভোটার। সেখানেও নাম বাদ গেলে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে নতুন করে ফর্ম ৬ পূরণ করে আবেদন করতে হবে। বৈধ ভোটার হলে তাঁর নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.