Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
SIR in West Bengal

‘কমিশনের চূড়ান্ত ব্যর্থতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখাল সুপ্রিম কোর্ট’, SIR নিয়ে নয়া নির্দেশে তোপ তৃণমূলের

মঙ্গলবারই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, বাংলায় এসআইআরের কাজ সময়মতো শেষ করতে ঝাড়খণ্ড, ওড়িশার জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করা হোক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১৫:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১৫:০০

options
link
‘কমিশনের চূড়ান্ত ব্যর্থতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখাল সুপ্রিম কোর্ট’, SIR নিয়ে নয়া নির্দেশে তোপ তৃণমূলের zoom

বঙ্গে এসআইআরের (SIR in West Bengal) কাজ সময়মতো শেষ করতে হলে ভিনরাজ্যের জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করতে হবে। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের এই নজিরবিহীন নির্দেশেই স্পষ্ট নির্বাচন কমিশনের বেহাল দশা। এমনই প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করল বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। একেবারে বাছাই করা শব্দে নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশেই বোঝা যাচ্ছে, বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজে কমিশন প্রশাসনিকভাবে ব্যর্থ এবং অযোগ্য। আর তা বুঝেই সুপ্রিম কোর্ট কার্যত বাইরের রাজ্য থেকে জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে।

ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজ শেষে আগামী ২৮ তারিখ রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা। কিন্তু তা বাস্তবায়িত করার পথে বাধা অনেক। এখন বহু নথি পরীক্ষার কাজ বাকি। হাতে সময় মাত্র তিনদিন। এর মধ্যে ৭০ লক্ষেরও বেশি ভোটারের নথি যাচাই কীভাবে সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার জরুরি ভিত্তিতে রাজ্যের এসআইআর (SIR in West Bengal) মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে উঠল শুনানির জন্য। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চে শুনানি শুরু হয়। পরিস্থিতি বিচার বিবেচনা করে বিচারপতিরা পরামর্শ দেন, এসআইআরের কাজ সময়মতো শেষ করতে দরকারে ঝাড়খণ্ড, ওড়িশার আদালতগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করে সেখানকার জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগ করা হোক।

Advertisement

এই নির্দেশের পরই এক্স হ্যান্ডল পোস্টে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তৃণমূল। শাসকদলের বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশ থেকে বোঝা যাচ্ছে, বঙ্গে সুষ্ঠুভাবে এসআইআরের কাজ করা আর কমিশনের নিয়ন্ত্রণে নেই। যেমনটা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন। শীর্ষ আদালত তাই বাধ্য হয়েই হস্তক্ষেপ করেছে। ভিনরাজ্যের জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ নিয়ে নির্দেশের পাশাপাশি আগের নির্দেশ বহাল রেখে আধার ও মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড নথি হিসেবে গ্রহণের কথাও জানিয়েছে। যে ভোটারদের নথি মিলছে না বলে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার ‘কূট পরিকল্পনা’ করা হচ্ছে, তাঁদের ক্ষেত্রে এই দুটি নথি গ্রহণ করলেই সমস্যা মিটে যাবে বলে মতপ্রকাশ করেছে তৃণমূল। একইসঙ্গে এই অভিযোগও তুলেছে, বিজেপি-নির্বাচন কমিশন আঁতাঁত করে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনের বদলে নিজেদের লক্ষ্য অন্যদিকে সরিয়ে নিচ্ছে, তা বুঝতে বাকি নেই।

এনিয়ে অবশ্য বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য পালটা তৃণমূলকেই দুষেছেন। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে তাঁর প্রতিক্রিয়া, ‘‘ভিনরাজ্য থেকে বিচারপতি গোটা প্রক্রিয়াকে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার প্রথম থেকে বাধা দিয়ে আসছে। সব জায়গায় সকলে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। সিএমও-তে নিয়োগের জন্য বিক্ষোভ চলছে। নির্বাচন কমিশনের ব্যাপার সেটা। এখানকার বিচারপতিরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। প্রক্রিয়া শেষ করতে ভিনরাজ্য থেকে আসতে হবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.