BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

শহরে রাতের আকাশে আজ হাজার হাজার মহাজাগতিক আতশবাজির রোশনাই

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: December 13, 2017 12:38 pm|    Updated: September 19, 2019 4:41 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘন্টার পর ঘন্টা যাঁরা আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতে ভালবাসেন, তাঁদের জন্য সুখবর। দেশের অন্যান্য প্রান্তের মতো কলকাতাতেও আকাশ পরিষ্কার থাকলে আজ রাতে মহাজাগতিক ‘আতশবাজি’র প্রদর্শন দেখতে পাবেন। এই আতশবাজি কোনও সরকারি বা ব্যক্তিগত উদ্যোগে পোড়ানো হবে না। আজ রাতে জেমিনিড উল্কাবৃষ্টি হবে। মঙ্গলবার রাত ১০টা থেকে ১৪ ডিসেম্বর ভোর পর্যন্ত আকাশের দিকে চোখ রাখলেই দেখা যাবে এই মহাজাগতিক দৃশ্য। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, কোনও টেলিস্কোপ বা দূরবীন লাগবে না, আজ রাতে আকাশ পরিষ্কার থাকলে খালি চোখেই দেখতে পাবেন হাজার আতশবাজির রোশনাই। এই কথা জানিয়েছেন এম পি বিড়লা তারামণ্ডলের অধিকর্তা দেবীপ্রসাদ দুয়ারী।

আজ রাতের আকাশ এতটাই সুন্দর দেখতে লাগবে
আজ রাতের আকাশ এতটাই সুন্দর দেখতে লাগবে

কী এই জেমিনিড উল্কাবৃষ্টি?

জ্যোর্তিবিজ্ঞানীদের মতে, মহাকাশে ভাসতে থাকা অসংখ্য ছোট-বড় পাথরের টুকরো বা ধুলিকণা পৃথিবীর কাছাকাছি চলে এলে অভিকর্ষের টানে ভূপৃষ্ঠের দিকে ছুটে আসে। বায়ুমণ্ডলের সংস্পর্শে এলে প্রবল গতি ও ঘর্ষণের দরুন মহাজাগতিক বস্তুগুলিতে আগুন ধরে যায়। রাতে আকাশে মেঘ না থাকলে সেই দৃশ্য খালি চোখেই দেখা যায়। একসঙ্গে এরকম হাজার হাজার মহাজাগতিক বস্তু একসঙ্গে পৃথিবীর দিকে ছুটে এলে উজ্জ্বল আলোকবিন্দুর মতো জ্বলতে দেখা যায় পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে। যাকে আমরা সাধারণ ভাষায় বলি উল্কাপাত।

জেমিনিড উল্কাবৃষ্টি তেমনই এক উল্কাপাত। জেমিনি নক্ষত্রপুঞ্জ থেকে নামটি এসেছে। তবে আজ রাতের আকাশে যেগুলি পুড়তে দেখা যাবে সেগুলি কোনও সাধারণ মহাজাগতিক বস্তু নয়। এটি একটি গ্রহাণু, নাম ফিথন ৩২০০। ১৯৮৩-তে এটি আবিষ্কৃত হয়। এরকম ছোট গ্রহাণু অন্তরীক্ষে কয়েক কোটি রয়েছে। মঙ্গল ও বৃহস্পতির মধ্যে যে ‘অ্যাস্টরয়েড বেল্ট’ বলে এলাকা রয়েছে, সেখানেই এই ধরনের গ্রহাণু সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরপাক খায়। কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে কখনও সেগুলি পৃথিবীর খুব কাছে চলে আসে। আজ ঠিক তেমনটাই হতে চলেছে। বাড়ির ছাদে বা কোনও খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে চোখ রাখলে এই দৃশ্য দেখা যাবে। তবে কলকাতার আকাশে গত কয়েকদিন মেঘেদের আনাগোনা এই দৃশ্যে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। আর এবার না দেখতে পেলে এমন দৃশ্য দেখার সৌভাগ্য আগামী ৭৫ বছরে আর মিলবে না।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement