সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তৃণমূলের (TMC) প্রতিষ্ঠা দিবস থেকেই কার্যত লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election) প্রস্তুতি শুরু করার পরিকল্পনা ছিল আগেই। সেইমতো প্রতিষ্ঠা দিবসের নানা অনুষ্ঠান থেকে সেই বার্তা দিচ্ছেন দলের নেতানেত্রীরা। সেভাবেই তৃণমূল ভবনের অনুষ্ঠান থেকে সুব্রত বক্সি বলেন, ”অভিষেক আগামী লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করলে, আশা করি, ও লড়াই থেকে পিছিয়ে আসবে না, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখেই লড়াই করবে।” আর তাঁর এই মন্তব্যে তীব্র আপত্তি তুললেন দলের মুখপাত্র তথা রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের। ‘পিছিয়ে যাওয়া’ কথাটি নেতিবাচক, সুব্রত বক্সির পালটায় বললেন তিনি। আর দুজনের এই মন্তব্য, পালটা মন্তব্যে প্রতিষ্ঠা দিবসেও দলের অন্দরের নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে এল।
সোমবার তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে তৃণমূল ভবনে সকালে পতাকা উত্তোলন করেন দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি (Subrata Bakshi)। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যও রাখেন তিনি। বলেন লোকসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের কথা। আর সেখানে অভিষেকের লড়াই নিয়ে বলতে গিয়ে তাঁর মন্তব্য, ”মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee)সামনে রেখেই লড়বে অভিষেক। আপনারা ভাঙন ধরানোর চেষ্টা করলেও ভাঙন ধরানো যাবে না।” আর তাঁর এই মন্তব্যেই আপত্তি তুলেছে দলের একাংশ।
[আরও পড়ুন: আগামীর লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুতি, তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে বার্তা মমতা-অভিষেকের]
সাংবাদিক সম্মেলনে দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) পালটা মন্তব্য, ”ওঁর বাক্যগঠনে সমস্যা আছে। অভিষেকের পিছিয়ে আসার কথা আসছে কেন? এটা তো নেগেটিভ কথা। আমরা যাঁরা বরাবর লড়াই করে এসেছি, পিছিয়ে আসিনি, তাঁদের একথায় আপত্তি আছে। আর মমতাই তো নেত্রী। এটা অভিষেকও মানেন। তাই মমতার নেতৃত্বে ও লড়াই করবে, একথা আলাদাভাবে বলার কিছু নেই।” উভয়ের এই বক্তব্যে ফের দলের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এল।
[আরও পড়ুন: শেষ ‘কথা’ রবীন্দ্রনাথ, ‘বাংলার মাটি’ গানে কোনও বদল নেই, বিজ্ঞপ্তি রাজ্যের]
সর্বশেষ খবর
-
অ্যামি ভির্ককে লক্ষ্য করে ৭ রাউন্ড গুলি, রণবীর-করিনার সহ-অভিনেতাকে খুনের চেষ্টা!
-
অবসরের দেড় মাস আগে যাদবপুরের রেজিস্ট্রার সেলিম বক্স মণ্ডলকে অপসারণ, এবার দায়িত্বে কে?
-
জুসার-ব্লেন্ডারের দরকার নেই, রান্নাঘরের এই ৫ সরঞ্জামেই পান পুষ্টিকর ফলের রস
-
জলবায়ু পরিবর্তনের কুফল রুখতে ব্যর্থ! বিশ্বের ২০ শহরে তালিকায় ঠাঁই কলকাতারও
-
কলকাতার একাধিক শপিং মলে পুলিশ-দমকল, ‘অখাদ্য’র পর অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে অভিযান