আগামী কাল, মঙ্গলবার এনডিএ বৈঠকে যোগ দেওয়ার ডাক পেয়েছেন এনসিপিআই সাংসদরা। সেই আবহে সোমবার রাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। রাতে নবান্নে দু’জনের বৈঠক হয়। কোন কোন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হল? সেই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। মঙ্গলেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এনসিপিআই সাংসদদের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। যদিও এদিন সন্ধ্যায় জানা যায়, শুভেন্দু দিল্লি যাচ্ছেন না!
দিল্লির রাজনীতিতে ফের নয়া মোড়। এবার এনডিএ-র বৈঠকে ডাক পেলেন এনসিপিআই সাংসদরা। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, তবে কি বিজেপিতেই মিশছে এনসিপিআই? বৈঠকে কী হয়, তার উপরেই সব কিছু নির্ভর করছে। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। মঙ্গলে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীরও দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল। এনডিএর সঙ্গে বৈঠকের আগে শুভেন্দুর সঙ্গে এনসিপিআই সাংসদদের মিটিং হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে জানা যায়, বিশেষ কারণে মুখ্যমন্ত্রী দিল্লি যাচ্ছেন না! তাহলে এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের কী হবে? সেই চর্চাও শুরু হয়।
আরও পড়ুন:
এদিন মুখ্যমন্ত্রী উত্তরবঙ্গ সফরে ছিলেন। সফর শেষে সন্ধ্যার পরেই কলকাতায় ফেরেন শুভেন্দু। কলকাতা বিমান বন্দরে নেমেই তিনি নবান্নে পৌঁছে যান। এদিকে জানা যায়, নবান্নে পৌঁছে গিয়েছেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। রাতেই শুভেন্দু ও সুদীপের মধ্যে বৈঠক হয়। কী বিষয়ে দু’জনের বৈঠক হয়? সেই নিয়েও শুরু হয় চর্চা। বলে রাখা ভালো, ১৯ জন সাংসদকে নিয়ে তৃণমূল ছাড়ার পরপরই দিল্লিতে ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে নিজেদের আবেদন জানিয়েছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। চেয়েছিলেন, তাঁদের এনসিপিআই সাংসদ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক। এবং যেহেতু তাঁরা এনডিএ-র শরিক হতে চান, তাই লোকসভায় শরিকদলের পাশে আসন দেওয়া হোক।
তাঁদের হাত ধরে এনডিএ বৃহত্তম শরিক পাচ্ছে। কারণ, এনডিএ-র আর কোনও শরিকেরই সাংসদ সংখ্যা এত নয়। অপেক্ষা ছিল, বাদল অধিবেশন শুরুর আগে স্পিকার তাঁদের স্বীকৃতি দেবেন। গত ১৯ জুলাই, বাদল অধিবেশন শুরুর ঠিক আগের দিন এনসিপিআই-কে চিঠি লিখে সর্বদল বৈঠকে যোগদানের আহ্বান জানিয়েছিলেন, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। তাতে যোগদানও করেছিলেন তাঁরা। মঙ্গলবারও ফের বৈঠকে ডাকা হয়েছে এনসিপিআইকে। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এনডিএ শরিক হয়ে থাকবে এনসিপিআই নাকি বিজেপিতে বিলীন হয়ে যাবে উত্তর-পূর্ব ভারতের অনামী দলটি। মঙ্গলবারের বৈঠকের পর তা স্পষ্ট হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘হিন্দু বলে আমার মাকেও পালিয়ে আসতে হয়েছিল’, চিন্ময় প্রভুর চোখের জল দেখে অতীত স্মরণ শুভেন্দুর
-
ইংরেজি অনুবাদে রবীন্দ্রনাথকে পৌঁছে দিয়েছিলেন বৃহত্তর পরিসরে, প্রয়াত কেতকী কুশারী ডাইসন
-
নিন্দুকদের মুখে ঝামা ঘষে রাজ-শুভশ্রীর জলকেলি, ছেলে যুবানের জন্মদিনে রোম্যান্টিক টুইস্ট!
-
‘বাঙালি নিরামিষ খেয়ে পুষ্পাঞ্জলি, মাছ দিয়ে প্রসাদ দিতে জানে’, বাগেশ্বর বিতর্কে সোজাসাপ্টা শুভেন্দু
-
যুদ্ধ ‘কাঁটা’ সরিয়ে দিল্লি ঘোষণাপত্রে সহমত ‘শত্রু’ ইরান-আমিরশাহী, বড় কূটনৈতিক সাফল্য ভারতের