BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

করোনা মোকাবিলায় রাজ্যের পাশে CPM, মমতার সুরে কেন্দ্রের সমালোচনা সূর্যকান্ত মিশ্রর

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: April 12, 2020 6:05 pm|    Updated: April 12, 2020 6:18 pm

An Images

ক্ষীরোদ ভট্টাচার্য: বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাস যে মহামারির আকার নিয়েছে, তা মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের পাশেই দাঁড়াল সিপিএম। রবিবার ফেসবুক লাইভে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রের স্পষ্ট বক্তব্য, পরিস্থিতি সামলাতে কেন্দ্র যে অর্থ দিচ্ছে, তা একেবারেই যথেষ্ট নয়। এই সংকটের সময়েও নিজামুদ্দিনের জমায়েতকে হাতিয়ার করে কেন্দ্র সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি করছে কেন্দ্র, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরেই এই অভিযোগেও সরব হলেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক। তাঁর পরামর্শ, সংক্রমণ ঠেকাতে এই মুহূর্তে ব়্যাপিড টেস্টিং বেশি জরুরি, লকডাউনের চেয়েও বেশি কার্যকরী।

করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকার পরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি নিয়ে নবান্নে স্মারকলিপি জমা দিতে গিয়েছিল বাম প্রতিনিধিদল। তাতে ছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র প্রমুখ। সেখানে তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরামর্শ চেয়েছিলেন। বিশেষত সূর্যকান্ত মিশ্র নিজে যেহেতু একজন কমিউনিটি মেডিসিনের চিকিৎসক, তাই তাঁর কাছেই মুখ্যমন্ত্রী জানতে চেয়েছিলেন, এই পরিস্থিতিতে আর কী কী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। সূর্যকান্ত মিশ্র সেখানে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সংকটকালে বিরোধিতার আসন থেকে সরে এসে রাজ্য সরকারের পাশেই রয়েছে বাম দলগুলি, তাও বুঝিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।

[আরও পড়ুন: পার্ক সার্কাসের নার্সিংহোমের রোগী করোনা আক্রান্ত, সিল করা হল ICU]

রবিবার ফেসবুক লাইভ থেকেই সেই বার্তাই আরও একবার স্পষ্ট করলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র সরকার যে টাকা দিচ্ছে, তা একেবারেই যথেষ্ট নয়। এই মুহূর্তে দেশের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় মোট ৬ লক্ষ কোটি টাকা প্রয়োজন। তার তুলনায় যৎসামান্য টাকা দিচ্ছে কেন্দ্র। এই সময়েও যে কেন্দ্র সাম্প্রদায়িক বিভাজন নীতি থেকে সরে আসেনি, সেই অভিযোগও তুললেন সূর্যকান্ত মিশ্র। তাঁর প্রশ্ন, নিজামুদ্দিনে তবলিঘি জামাতের জমায়েতে কেন বিদেশিদের আসার অনুমতি দিয়েছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক? এর দায় কেন্দ্রকেই নিতে হবে বলে দাবি সিপিএম রাজ্য সম্পাদকের।

সেইসঙ্গে সূর্যকান্ত মিশ্র বেশ কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছেন। তাঁর পরামর্শ, আরও পরীক্ষা হওয়া প্রয়োজন। ব়্যাপিড টেস্ট করেই স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করা সম্ভব। সেই জায়গা নজরবন্দি রেখেই চিকিৎসা করা যাবে। সরকারের প্রতি তাঁর বার্তা, “সংক্রমণ ঠেকাতে সঠিক তথ্য প্রকাশ করুন। মানুষ আতঙ্কিত নন, সতর্ক হবেন।” রাজ্যবাসীকে সতর্ক করে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক বলেন, “সোশ্যাল ডিসট্যান্স নয়, ফিজিক্যাল ডিসট্যান্স মেনে চলুন। মাস্ক পরুন, হাত ধুয়ে নিন বারবার।”

[আরও পড়ুন: বিপর্যয় কাটছে না সোনাপট্টির, করোনার কোপে মন্দায় বউবাজারের স্বর্ণব্যবসা]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement