Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

মানুষ খুনের চক্রান্ত করেছিল রাজ্য সরকার, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ বিজেপি নেতার

দুর্ঘটনা ঘটতে পারত মেদিনীপুর শহরেও!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৭, ২০১৮, ১৮:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৭, ২০১৮, ১৮:৫১

options
link
মানুষ খুনের চক্রান্ত করেছিল রাজ্য সরকার, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ বিজেপি নেতার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মানুষ খুনের চক্রান্ত করেছিল রাজ্য সরকার। মেদিনীপুরকাণ্ডে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলল রাজ্য বিজেপি। কার গাফিলতিতে ঘটল দুর্ঘটনা? তদন্তের দাবি করেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু।

[সভাস্থলে দুর্ঘটনায় পুলিশের ঘাড়েই দায় বিজেপির, কাঠামোয় গলদ পেল ফরেনসিক দল]

Advertisement

সোমবার মেদিনীপুরের শহরের কলেজ মাঠে জনসভায় তখন ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঞ্চের কাছে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল অস্থায়ী সামিয়ানা। লোহার কাঠামোর আঘাতে আহত ৯১ জন। ঘটনার শোরগোল পড়ে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থল সিল করে দেওয়া হয়েছে। রাতভর মোতায়েন ছিল পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে মেদিনীপুর শহরে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ও এসপিজি-র তদন্তকারী দল। সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন তাঁরা। এদিকে ফোনে অমিত শাহকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, লাগাতার বৃষ্টিতে সভাস্থলের মাটি ভিজে ছিল। কাঠামোর উপর উঠেছিল বহু মানুষ। পুলিশের ব্যারিকেড ছিল না। তাই দুর্ঘটনা ঘটেছে। মেদিনীপুর কলেজ মাঠে অস্থায়ী কাঠামোর নমুনা সংগ্রহ করেছেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরাও। প্রাথমিকভাবে লোহার কাঠামোর গলদ ধরা পড়েছে।

মঙ্গলবার কলকাতায় রাজ্য বিজেপি সদর দপ্তরে সাংবাদিক বৈঠক করে  প্রশাসনকে বিঁধলেন দলের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। তাঁর অভিযোগ, সভাস্থলে কোনও অ্যাম্বুলেন্স ছিল না। দুর্ঘটনার পর পুলিশের লাঠিচার্জে পদপিষ্ট হন বহু মানুষ। ফোন করেও পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে পায়নি এসপিজি। মোদির জনসভায় মানুষ খুনের চক্রান্ত করেছিল রাজ্য সরকার। বিজেপি নেতার বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী যথন রাজ্যে আসেন, তখন তাঁর নিরাপত্তা-সহ যাবতীয় দায়িত্ব নেয় প্রশাসনই। রাজ্য সরকারের আরও সতর্ক থাকা উচিত ছিল। বিজেপির রাজ্য সম্পাদক সায়ন্তন বসুর আরও অভিযোগ, মঙ্গলবার মেদিনীপুর শহরেও পর্যাপ্ত সংখ্যায় পুলিশ ছিল না। সেক্ষেত্রে শহরের যেকোনও জায়গাই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে পারত।

[অসুস্থ অধ্যক্ষকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে বাধা মেডিক্যালের পড়ুয়াদের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.