Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

চকোলেটের লোভ দেখিয়ে তিন নাবালিকাকে যৌন হেনস্তা, নিমতায় চাঞ্চল্য

অভিযুক্ত মিড-ডে মিল সরবরাহকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০১৮, ১১:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০১৮, ১১:২৯

options
link
চকোলেটের লোভ দেখিয়ে তিন নাবালিকাকে যৌন হেনস্তা, নিমতায় চাঞ্চল্য zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  স্কুলে  ফের যৌন হেনস্তার শিকার নাবালিকা। টিফিনের সময় চকোলেট দেওয়ার নাম করে  তিনজন পড়ুয়াকে মিড-ডে মিল সরবরাহকারী যৌন হেনস্তা করেছে বলে অভিযোগ।  সোমবার রাতে অভিযুক্তকে পাকড়াও করে পুলিশের হাতে তুলে দেয় উত্তেজিত জনতা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বিরাটি হাইস্কুলের প্রাথমিক বিভাগে।

[‘দেখলাম বাবার চোখে জল’, বহিষ্কারের সেদিনের কথা স্মরণ সোমনাথ-কন্যার]

প্রতিদিনের মতো সোমবারও স্কুলের প্রাথমিক বিভাগে টিফিন শুরু হয়েছিল সকাল দশটায় । অভিযোগ, তখনই তিন খুদেকে একা পেয়ে চকোলেটের লোভ দেখায় স্কুলের  রাজু সরকার নামে এক ব্যক্তি। স্কুলের মিড-ডে মিল সরবরাহ করে সে।  এরপর স্কুলের একটা ফাঁকা ক্লাসরুমে ডেকে নিয়ে গিয়ে তিনজনের উপরেই শারীরিক নির্যাতন চালায় রাজু। বাড়িতে বললে প্রাণে মারারও হমকি দেয় অভিযুক্ত। ঘটনার পর ভয়ে কান্নাকাটি শুরু করে দেয় তিন নাবালিকা। পড়ুয়াদের কান্নার আওয়াজে ততক্ষণে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছেন স্কুলের এক শিক্ষিকা। তিনি বন্ধ  ক্লাসঘরের দরজায় ধাক্কা দিতেই তা খুলে যায়। সেখান থেকে প্রায় দৌড়ে পালিয়ে যায় রাজু। টিফিনের পর  স্বাভাবিক নিয়মে বাকি ক্লাসগুলি চলে। এদিকে নির্যাতিতাদের একজন বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পেট ব্যথার কারণ জানতে চাইলেই মা-কে ঘটনাটি  জানায় সে। নিমতা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতার বাবা-মা। পরিবারের দাবি,  প্রাথমিক স্কুলের ওই পড়ুয়া রাজুর নামও বলেছিল।  ঘটনাটি জানতে পেরে রাজুর খোঁজ করতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।  অশান্তির আঁচ পেয়ে দুপুর থেকেই পালিয়ে বেড়াচ্ছিল রাজু। তবে সন্ধে নাগাদ স্থানীয় আলিপুর বাজার এলাকা থেকে অভিযুক্তকে ধরে ফেলে উত্তেজিত জনতা। চলে বেধড়ক মারধর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নিমতা থানার পুলিশ। উত্তেজিত জনতা পুলিশের হাতে অভিযুক্তকে তুলে দেয়।

Advertisement

[পরিবারের আপত্তিতে সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মরদেহ গেল না আলিমুদ্দিনে]

ধৃতের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, এর আগেও বিরাটি হাইস্কুলের প্রাথমিক বিভাগে মিড-ডে মিল সরবরাহকারী রাজু সরকার এমন কাণ্ড ঘটিয়েছিল। স্কুল ও পাড়াতে তার যৌন লালসার শিকার হয়েছে খুদেরা। তবে এসব ক্ষেত্রে মারধরের বেশি কোনও শাস্তিই রাজুর হয়নি। এই ঘটনায় স্কুল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। রাজুর কীর্তিকলাপ আঁচ করতে পেরেও কেন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি? ক্ষুদ্ধ অভিভাবকরা। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.