গরুপাচার মামলায় প্রায় বছর আড়াই জেলবন্দি থাকতে হয়েছে তাঁকে। হয়েছিল তিহাড় যাত্রা। আর তার জন্য দায়ী একমাত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বুধবার গোলপার্কে ঋত-তৃণমূলের বৈঠকে প্রথমবার যোগ দেওয়ার আগে বোমা ফাটালেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। তাঁর দাবি, “বীরভূম থেকে সাড়ে ৩ কোটি টাকা রেভিনিউ পেত সরকার। পরে কয়লার জন্য দিনে ৪০ লক্ষ টাকা দিতে হত।” অনুব্রতর ভবিষ্যদ্বাণী, “আগামী দিনে তৃণমূলে আর কেউ থাকবে না। শেষ হয়ে যাবে।”
গত ১১ জুলাই, আনুষ্ঠানিকভাবে অনুব্রত মণ্ডলকে বীরভূমের জেলা সভাপতির দায়িত্ব দিয়েছে ঋতব্রত শিবির। এই দায়িত্ব একসময়ে তিনি একাই সামলেছেন। এরপর বুধবার ঋতব্রত শিবিরের বৈঠকেও যোগ দিলেন অনুব্রত।
আরও পড়ুন:
বীরভূম জেলায় তৃণমূলের সভাপতি হিসেবে বরাবর অনুব্রত মণ্ডল ছিলেন একমেবদ্বিতীয়ম। তাঁর নেতৃত্বে রাঙামাটির দলীয় সংগঠন এতদিন ধরে জেলায় গেরুয়া প্রবেশ রুখে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। এমনকী গরু পাচার মামলায় প্রায় ২ বছর জেলবন্দি থাকার পর জামিনে মুক্ত হয়ে ফিরে জেলা সভাপতির পদটি অটুট রেখেছিলেন মমতার প্রিয় ‘কেষ্ট’। শেষ লোকসভা ভোটেও বীরভূমের দুটি আসন ধরে রেখেছিল তৃণমূল, তা অনুব্রতর তৈরি শক্ত সংগঠনের উপর দাঁড়িয়েই। পরে অবশ্য জেলা গোষ্ঠীকোন্দল বাড়তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর এককভাবে কেষ্টর উপর দায়িত্বভার ছাড়েননি। বীরভূমের সংগঠন দেখার জন্য তৈরি করে দিয়েছিলেন কোর কমিটি। অনুব্রত তাতে একজন সদস্যমাত্র ছিলেন। সেই থেকে ক্ষোভের সঞ্চার। এতদিন পর তা প্রকাশ্যে আসে।
ছাব্বিশের ভোটে দলের হতশ্রী ফলাফলের পর দলে ভাঙন নিয়ে অনুব্রতর মন্তব্য ছিল, ‘‘নতুন-পুরনো জানি না, আমি তৃণমূলকে ভালোবেসে দলটা করি। সম্মানের সঙ্গে দলের কাজ করব।” তার কয়েকদিনের মধ্যেই ঋতব্রত শিবিরের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করেন বলে শোনা যায়। গত ১১ জুলাই, আনুষ্ঠানিকভাবে অনুব্রত মণ্ডলকে বীরভূমের জেলা সভাপতির দায়িত্ব দিয়েছে ঋতব্রত শিবির। এই দায়িত্ব একসময়ে তিনি একাই সামলেছেন। এরপর বুধবার ঋতব্রত শিবিরের বৈঠকেও যোগ দিলেন অনুব্রত।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
চিকেনস নেক ঘিরে বড় পরিকল্পনা মোদি সরকারের, শনিতেই উত্তরবঙ্গে শাহ, থাকবেন শুভেন্দুও
-
বিজেপির সমর্থনে জুন মালিয়া! অনাস্থা ভোটে এগরা ২ পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ডও গেরুয়া শিবিরের দখলে
-
রান্নাঘরের ড্রেন থেকে উঠছে টক গন্ধ? মিস্ত্রী ডাকার আগে করে দেখুন কাগজ ও গ্লাসের পরীক্ষা
-
সরকারি জমির মাটি-গাছ পাচার! অভিষেকের বিরুদ্ধে নালিশ
-
‘ইতিহাস, জানি নীরব সাক্ষী তুমি…’